কয়রার উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ন ভাসছে লোনা পানিতে

Img

ঘুর্ণিঝড় আম্ফানে বিধবস্ত কয়রা উপজেলার উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ানের ৮টি গ্রাম এখনো লোনা পানিতে ভাসছে। আম্ফানে বিধবস্ত হওয়ার প্রায় দু’মাস অতিবাহিত হলেও আজও লোনা পানি মুক্ত হতে পারেনি এলাকার মানুষ। 

জানা গেছে, গত ২০ মে ঘুর্ণিঝড় আম্ফানের আঘাতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ২১টি স্থানে বাঁধ ভেঙ্গে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন। 

এর মধ্যে কয়রা, মহারাজপুর ও দক্ষিণবেদকাশী ইউনিয়ানের ভেঙ্গে যাওয়া বেড়ী বাঁধ সেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে আটকানো হলেও  উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ানের গাজীপাড়া ও কাশিরহাট খোলা বেড়ী বাঁধ  আটকানো সম্ভব হয়নি। গত ১৩ জুলাই সকালে  গাজীপাড়ার অপর ১ টি বাধ  উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এসএম শফিকুল ইসলাম আটকানোর কাজ উদ্বোধন করনে সে মোতাবেক এলাকাবাসী বাধটি আটকাতে সক্ষম হয়েছে। যার ফলে এলাকার কিছু মানুষ পানিবন্ধি অবস্থা থেকে মুক্তি পেলেও অন্য অংশের মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে। জোয়ার-ভাটার পানি আসা যাওয়া করছে,নিদারুন কষ্ঠে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে তাদের। লোনা পানিতে ডুবে থাকা ঘরবাড়িতে কেউ ফিরতে পারছে না। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিছিন্ন হয়ে পড়েছে।

উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ানের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সরদার নুরুল ইসলাম বলেন, ভেঙ্গে যাওয়া বাধ আটকানোর কাজ চলমান রয়েছে। উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এসএম শফিকুল ইসলাম বলেন, আম্ফানের আঘাতে উপজেলার ৪ টি ইউনিয়ানে ভেঙ্গে যাওয়া বেড়ি বাঁধ পর্যায় ক্রমে আটকানো হয়েছে। বাকি যে বাধগুলো আছে তা দ্রুত সময়ের মধ্যে আটকানো হবে।

পূর্ববর্তী সংবাদ

কুমিল্লার ইস্টার্ণ প্লাজার ৩ মাসের ভাড়ার অর্ধেক মওকুফ

কুমিল্লার প্রথম অভিজাত বিপনী বিতান ইস্টার্ণ ইয়াকুব প্লাজার ব্যবসায়ীদের ৬৫ লাখ টাকার বিদ্যুত বিল, কমন চার্জ, কমন বিদ্যুত বিল মওকুফ করা হয়েছে। তাছাড়া তিন মাসের দোকান ভাড়ার অর্ধেক মওকুফ করারও ঘোষণা দিয়েছে দোকান মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক।

মার্কেটের মালিক সমিতি অফিসে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় ওই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তাছাড়া, মার্কেটের দোকান মালিকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রতি দোকানের বিপরীতে ১০ হাজার টাকা প্রদান করারও ঘোষণা দেয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মার্কেটের ব্যবসায়ীদের করোনার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এবং তাদের জীবন যাপন সহজ ও অধিকতর সুবিধা প্রদানের লক্ষে এপ্রিল এবং মে মাসের বিদ্যুত বিল, কমন বিদ্যুত চার্জ, সার্ভিস চার্জ সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়েছে। মওকুফ করা টাকা মালিক সমিতির ফান্ড থেকে বহন করা হবে। তাছাড়া, এপ্রিল, মে এবং জুন পর্যন্ত তিন মাসের দোকানের ভাড়া এবং কর্মচারীদের বেতন অর্ধেক করে দেয়ার জন্য বলা হয়েছে। জুলাই মাসের কর্মচারীদের বেতন সম্পূর্ণ পরিশোধ করলেও কোন বোনাস না দেয়ার কথা বলা হয়েছে। অপরদিকে, এপ্রিল ও মে এই দুই মাসের মালিক সমিতির মাসিক সঞ্চয়ের ১০০০ টাকাও নেওয়া হবেনা বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

দোকান মালিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মঞ্জুরুল আলম ভূইয়া বলেন, মহামারী করোনার কারণে ব্যবসায়ীরা চরম ক্ষতিগ্রস্ত। ক্ষতি কাটিয়ে উঠার জন্য মার্কেটের ব্যবসায়ীদের দুই মাসের বিদ্যুত বিল, কমন চার্জ, কমন বিদ্যুত চার্জ মওকুফ করে মালিক সমিতির ফান্ড থেকে দেয়া হয়েছে। ব্যবসায়ীদের কথা চিন্তা করে, তিন মাসের দোকান ভাড়ার অর্ধেক মাফ করে দেয়া হয়েছে। কর্মচারীদের তিন মাসের বেতনও অর্ধেক করে দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তাছাড়া, মালকি সমিতির সঞ্চয়ের দুই মাসের এক হাজার টাকাও নেওয়া হবেনা। দোকান মালিকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রত্যেক দোকান মালিককে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

দোকান মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি আলহজ্ব নুরে আলম ভূইয়া বলেন, ব্যবসায়ীদের টিকিয়ে রাখতে হবে। করোনার কারণে তারা অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছে। তাদের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে দোকান মালিক সমবায় সমিতির পক্ষ থেকে প্রনোদনা মূলক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার