কোরবানির দিন হাঁস-মুরগি জবাই করা যাবে?

Img

মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান পবিত্র ঈদুল আযাহা। এ দিনে আল্লাহ্‌ সন্তুষ্ট লাভের আশায় পশু কোরবানি করা হয়। তবে এ বিষয়ে কিছু মানুষ মনে করেন কুরবানির ঈদের দিন হাঁস-মুরগি ইত্যাদি দুই পা বিশিষ্ট প্রাণী জবাই করা যাবে না। এটি একটি অমূলক ধারণা, এর কোনো ভিত্তি নেই।

কুরবানি যেহেতু চার পা বিশিষ্ট প্রাণী দিয়ে করতে হয়। তাই এই দিনে দুই পা বিশিষ্ট প্রাণী জবাই করা যাবে না। আসলে অজ্ঞতার কারণে এ ধরনের অমূলক ধারণার সৃষ্টি হয় এবং সমাজে এগুলোর প্রচলন হয়ে থাকে। এ ধরনের অমূলক ধারণা থেকে বেঁচে থাকতে হবে।  

তবে কুরবানির নিয়তে হাঁস-মুরগি ইত্যাদি দুই পা বিশিষ্ট প্রাণী জবাই করা যাবে না।

বড় পশুর ক্ষেএে তিন ধরণের পশু (উট, গরু, মহিষ) ছোট পশুর ক্ষেএে তিন ধরণের পশু (ছাগল, ভেড়া, দুম্বা) শুধুমাএ এই পশুগুলো দ্বারাই কুরবানি করা যাবে।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকা সত্তেও কোরবানি করে না, সে যেন আমাদের ঈদের মাঠের কাছেও না আসে।

[সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৩১২৩]

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কোরবানির দিন আদম সন্তান এমন কোন কাজ করতে পারে না যা মহামহিম আল্লাহর নিকট রক্ত প্রবাহিত (কোরবানি) করার তুলনায় অধিক পছন্দনীয় হতে পারে। কোরবানির পশুগুলো কিয়ামতের দিন এদের শিং, খুর ও পশমসহ উপস্থিত হবে। কোরবানির পশুর রক্ত মাটিতে পড়ার পূর্বেই (কোরবানি) মহান আল্লাহর নিকট সম্মানের স্থানে পৌছে যায়। অতএব তোমরা আনন্দ সহকারে কোরবানি করো।

[সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৩১২৬]

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার