কিশোরগঞ্জে চার বছরের শিশুকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে ধর্ষণ

Img

কিশোরগঞ্জে চকলেটের লোভ দেখিয়ে চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করেছে এক কিশোর।

বুধবার বিকেলে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার চৌদ্দশত ইউনিয়নের জালুয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওই শিশুকে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, জালুয়াপাড়া গ্রামের চার বছরের শিশুটি বাড়ির পাশে একটি পরিত্যক্ত ইটভাটায় খেলছিল। একই গ্রামের অপর এক কিশোর চকলেট খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে তাকে ইটভাটার নির্জন স্থানে নিয়ে মুখ চেপে ধর্ষণ করে। শিশুর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে পালিয়ে যায় ওই কিশোর। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু বকর সিদ্দিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় রাতে মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ওই কিশোরকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

পূর্ববর্তী সংবাদ

ধামরাইয়ে সরকারি চাকরি দেওয়ার নামে টাকা আত্মসাত, আটক ২

ঢাকার ধামরাইয়ে সরকারি চাকরি দেয়ার নামে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে দুই প্রতারককে আটক করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার বিকেলে ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো: রিপন আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বুধবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়। সকালে অভিযুক্ত দুইজনের নামে মামলা দায়ের করে দুপুরে তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, ধামরাই উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আলাল হোসেনের ছেলে মোঃ আপন আহম্মেদ (৩২), অপরজন একই উপজেলার সোয়াপুর এলাকার মোঃ আব্দুল খালেকের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন(৩৮)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা ধামরাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে বেকারদেরকে সরকারি চাকরির প্রলোভন দিতেন। পরে কয়েক ধাপে চাকরি প্রত্যাশীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিতেন।

এবিষয়ে মাকসুদ আলম নামে এক চাকরিপ্রার্থী বলেন, অভিযুক্ত দুইজনকে চাকরির জন্য ১১ লাখ টাকা দিয়েছিলাম। তারা পরীক্ষার কার্ডও এনে দিয়েছিলো। কিন্তু সেই ঠিকানায় গিয়ে দেখি কিছুই নেই। পরে বুঝতে পারি আমি প্রতারিত হয়েছি।

একইভাবে প্রতারিত হয়েছেন দেলোয়ার হোসেন নামে আরেক ব্যক্তি। তিনি বলেন, আমার কাছ থেকে চাকরি দেয়ার জন্য কার্ড আসার আগে, পরীক্ষার আগে টাকা নেয়। দুইবারে আমি মোট ৫ লাখ টাকা দেই। শেষবার ভাইবার কথা বলে আরো ২ লাখ টাকা নেয়। পরে সেই ঠিকানায় গিয়ে দেখি কোন অফিসই নেই।

এবিষয়ে ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো: রিপন আহমেদ বলেন, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চাকরি দেয়ার নামে এই চক্রটি অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিলো। এমন অভিযোগ পেয়ে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করি। আটককৃতদের নামে প্রতারণা মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার