কারাগার গেটে মায়ের মরদেহ দেখলেন পাপিয়া

Img

নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক শামীমা নুর পাপিয়া শেষবারের মতো মায়ের মরদেহ দেখলেন গাজীপুর কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার গেটে।

সোমবার রাত ১০টার দিকে মায়ের মরদেহ দেখাতে গাজীপুর কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়।

মঙ্গলবার কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার হাসনা জাহান বিথী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় শামীমা নূর পাপিয়া গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন। রাতে লাশবাহী গাড়িতে করে কারাগারের গেটে পাপিয়ার মায়ের মরদেহ নেয়া হয়। পরে কারা কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে পাপিয়াকে কারাগারের গেটে নিয়ে তার মায়ের মরদেহ দেখানো হয়। প্রায় ২০ মিনিট সময় মরদেহ কারাগারের গেটে ছিল।

পূর্ববর্তী সংবাদ

বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলার রায় বুধবার

বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার রায় আগামীকাল বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঘোষণা করা হবে। 

এ মামলার বয়স্ক ১০ জন আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করবেন বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামান।

রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। 

এদিকে রিফাত শরীফ হত্যা মামলার সাক্ষী থেকে আসামি হওয়া আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরও ন্যায্য বিচার প্রত্যাশা করছেন।   

মামলার আসামিরা হচ্ছেন- রাকিবুল হাসান ওরফে রিফাত ফরাজী, আল কাইয়ুম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজোয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসান, মো. মুসা, আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি, রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. সাগরও কামরুল হাসান সায়মুন।

গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় রিফাতের স্ত্রী মিন্নিসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দুই ভাগে বিভক্ত অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালত। এরপর ৭৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ, রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের তারিখ নির্ধারিত হয়।  

মিন্নির পক্ষের আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম জানিয়েছেন, তারা যে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছেন-তাতে মিন্নি বেকসুর খালাস পাবেন।

২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে নয়ন বন্ড ও তার সহযোগী সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে শাহ নেওয়াজ রিফাতকে। এরপর বীরদর্পে অস্ত্র উঁচিয়ে এলাকা ত্যাগ করেন তারা। গুরুতর আহত রিফাত বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওইদিনই মারা যান।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার