কলারোয়ায় ফেনসিডিল ও গাঁজাসহ ৩ যুবক আটক

Img

কলারোয়ায় ফেনসিডিল ও গাঁজাসহ ৩ যুবক আটক হয়েছে।

কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মুনীর উল গীয়াস জানান- থানার এএসআই রবিউল ইসলাম, এএসআই মিজানুর রহমান ও এএসআই মফিজুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে উপজেলার কয়লা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে রাস্তার উপর থেকে বামনখালী গ্রামের হবিবর রহমানের ছেলে শহীদ হোসেন (২৩) কে ১০০ গ্রাম গাজা সহ ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় আটক করে।

অপর এক অভিযানে উপজেলার লোহাকুড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উত্তর পাশের তিন রাস্কার মোড় হতে পাটকেলঘাটার ধানদিয়া গ্রামের ইসমাল বিশ্বাসের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (২৮) ও যশোরের কেশবপুর উপজেলার ভাল্লুকঘর গ্রামের আব্দুল মান্নান বিশ্বাসের ছেলে কবির হোসেন (২৯) কে ১০ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক হয়।

পূর্ববর্তী সংবাদ

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে গাবুরায় পাউবো বাঁধে ভয়াবহ ভাঙন

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরায় দৃষ্টিনন্দন ট্রলার ঘাট সংলগ্ন পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বাঁধে ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যার পরে খোলপেটুয়া নদীতে উত্তাল জোয়ারে দুই শতাধিক বাঁধ নদীতে ধ্বসে পড়ে। এসময় স্থানীয় জনগণের মধ্যে আতংকের সৃষ্টি হয়।

গাবুরা সাবেক ইউপি সদস্য ফিরোজ হোসেন আক্ষেপ করে জানান, পাউবো কর্তৃপক্ষকে বার বার বলার পরেও কোন ভ্রুক্ষেপ করে না। ভাঙন সৃষ্টি হলে সংশ্লিষ্টরা তখনই নড়ে চড়ে বসেন।

গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জি এম মাসুদুল আলম জানান, তাৎক্ষণিক বিষয়টি পাউবো কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। স্থানীয়দের সহায়তায় স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিত্বে বাঁধ রক্ষার কাজ চলছে। টেকসই ভাবে ভাঙন দ্রুত সংস্কার না হলে ২০০৩ সালে সরকারের অর্থায়নে সুপেয় পানির জন্য দৃষ্টিনন্দন প্রকল্পটি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাবে। এতে গাবুরার মানুষ মিষ্টি পানি হতে বঞ্চিত হবে। তাছাড়া দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সাইক্লোন সেল্টার সহ ফুটবল খেলার জন্য একমাত্র মাঠটি নোনা পানিতে তলিয়ে যাবে।

২০০৯ সালে আইলার আগাতে পাউবো বেড়ীবাঁধ লন্ডভন্ড হয়ে সমগ্র গাবুরা নোনা পানিতে তলীয়ে যান মালের ব্যাপক ক্ষতি হয়। ইউনিয়নের চারপাশে ২৭ কিলোমিটার পাউবো বেড়ী বাঁধের অধিকাংশ স্থান ঝুঁকিপূর্ণ তিনি জানান। সংশ্লিষ্ট ১৫নং পোল্ডারের দায়িত্বরত সেকশন অফিসার (এসও) সাজ্জাদুল হক ভাঙনের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা নির্বাহী প্রকৌলশী (এক্স-এন) আবুল খায়ের ও উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) রাশেদুর রহমান ভাঙন কবলিত স্থান পরিদর্শন শেষে যথাশীঘ্রই কাজ শুরু করার আশ্বাস দেন।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার