কলস ও মুড়ির টিনে মিললো ৩৩ লাখ টাকা

Img

ইলেকট্রনিক সামগ্রী সরবরাহের কথা বলে প্রায় কোটি টাকা নিয়ে উধাও ফারুক হোসেন (৩০) নামের এক প্রতারক যুবকের স্ত্রীকে গ্রেফতারের পর কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গ্রেফতার নারীর নাম নুরজাহান।

রোববার (১ মে) চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আদালতে ওই নারীকে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল শনিবার (৩০ এপ্রিল) পাবনার সদর থানাধীন রাধানগর যোগীপাড়া মাঠপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই নারীকে গ্রেফতার করে। এসময় বাসায় মাটির নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় দুটি কলসি ও একটি মুড়ির টিনের কৌটার ভেতর থেকে নগদ ৩২ লাখ ৮৯ হাজার টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার নুরজাহান জানিয়েছেন, এসব টাকা তার স্বামীর আত্মসাৎ করা।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদুল কবীর জাগো নিউজকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, চট্টগ্রামের বিভিন্ন দোকানে ইলেকট্রনিক সামগ্রী সরবরাহের কথা বলে প্রায় কোটি টাকা নিয়ে গা ঢাকা দেন ফারুক হোসেন। তিনি নগরীর জুবিলী রোড, আমতল, নন্দনকানন এলাকার বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ওয়ালটনের এলইডি এক্সেসরিজ (ওয়ালটন সেইফ ইমার্জেন্সি বাল্ব, এল ই ডি বাল্ব, টেপ, নেট ফ্যান, সিলিং ফ্যান, চার্জার ফ্যান, ডিবি বক্স, সারফেস প্যানেল লাইট) সরবরাহের কথা বলে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করে।

এরই একপর্যায়ে গত ২২ এপ্রিল তার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি প্রতিষ্ঠানের রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার মোহাম্মদ নবী আলম।

এরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে পাবনা থেকে ফারুকের স্ত্রী নুরজাহানকে গ্রেফতার করে। মামলায় তিনি আসামি না হলেও তার হেফাজতে টাকা পাওয়ায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। মামলার একমাত্র আসামি পলাতক ফারুক পাবনা সদর থানাধীন নিয়ামতুল্লাহপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে বলে জানা গেছে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার