করোনার প্রভাব রাজধানী জুড়ে

বিষয়: করোনাভাইরাস
Img

গতকাল মিরপুরে চলেছে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে প্রথম টি- টোয়েন্টি ম্যাচ। বিসিবি মানুষের সমাগম কমাতে কম টিকিট বিক্রির কথা জানালেও মাঠে দর্শকের সংখ্যা ছিলো খুবই কম।

অপরদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে গতকাল শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও কম দেখা গেছে। শান্তা ইসলাম নামের এক অভিভাবক জানান, বাচ্চাদের ঠান্ডা হলে বিদ্যালয়ে যাবার অনুমতি আছে তবে জ্বর হলে স্কুলে পাঠাতে মানা করেছে কর্তৃপক্ষ।

দেশে তিনজন আক্রান্ত হবার পর রাজধানীতে কোভিড-১৯ এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। গতকাল নগরজুড়ে গণপরিবহনেও মানুষের ভীড় ছিলো কম। এছাড়াও রিক্সা আরোহী ও পথচারীদের মধ্যে মাস্ক ব্যবহারকারী বেশি দেখা গেছে।

রাজধানীর বিভিন্ন ফার্মেসী ঘুরে দেখা যায়, কোনো ফার্মেসীতেই মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার নেই। ক্রেতারা জানান, শুধু ফার্মেসী নয় সুপারশপগুলোতেও পাওয়া যাচ্ছেনা করোনা প্রতিরোধী এসব পণ্য।

ধানমন্ডিতে প্রাথমিক চিকিৎসায় ওয়ান টাইম ব্যান্ডেজ ও হেক্সিসল কেনার জন্য একটি ফার্মেসিতে গেলে দোকানি জানান, হেক্সিসল বিকেলেই শেষ হয়েছে। জীবাণু রোধে ব্যবহার্য মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বাজার থেকে প্রায় নাই হয়ে গেছে। ফার্মেসি, সুপারশপ, পাড়ার দোকান—সবখান থেকেও বলা হচ্ছে, পরে আসেন।

অনেক স্থানে ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতারা বিক্রি করলেও তারা জানান, মাস্কের চাহিদা প্রচুর। দামও বেশি। মানভেদে ৫০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত একেকটি মাস্ক বিক্রি করা হচ্ছে।

এছাড়াও বাজারগুলোত অনেকে বেশি করে চাল-ডাল ও আলু কিনেছেন। এসব ক্রেতারা জানান, জরুরী অবস্থা তৈরি হলে আগাম সতর্কতার জন্য ঘরে মজুদ রাখা হচ্ছে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার