সাকিব আল হাসানের নিষেধাজ্ঞা আসার আগে হুট করেই ১১ দফা দাবি নিয়ে ধর্মঘট করেছিলো বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। তখন বিসিবি তাদের সব দাবি পূরণ করার আশ্বাস দিলেও কয়েকটি দাবি ছাড়া রাখতে পারেনি বাকিগুলোও। ১১ দফা দাবির মধ্যে একটি দাবি ছিলো কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ৩০জন ক্রিকেটারকে রাখা। কিন্তু গত রোববার ঘোষিত নতুন কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ঠায় পেয়েছে মাত্র ১৬ জন ক্রিকেটার।

প্রাথমিকভাবে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ২৪ জন ক্রিকেটারের নাম বিসিবিকে জমা দিয়েছে নির্বাচকরা। কিন্তু বোর্ড সভায় সেখান থেকেই ১৬ জন ক্রিকেটারের নাম চুড়ান্ত করা হয়। অথচ কিছুদিন আগেই বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছিলেন এবারের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে বেশ কিছু নতুন মুখ আনতে চান তারা। যদিও এর কিছুই হয়নি।

কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ পড়েন মাশরাফি বিন মুর্তজা, সাকিব আল হাসান, ইমরুল কায়েস, রুবেল হোসেন, আবু হায়দার রনি, খালেদ আহমেদ এবং সাদমান ইসলাম। নতুন করে চুক্তিভুক্ত করা হয়েছে নাজমুল হোসেন শান্ত, মোহাম্মদ মিঠুন, এবাদত হোসেন, আফিফ হোসেন ধ্রুব এবং নাঈম শেখকে। এদের মাঝে শান্ত এবং মিঠুনকে রাখা হয়েছে তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটেই।

তবে শুধু টেস্ট ফরম্যাটের জন্য চুক্তিভুক্ত করা হয়েছে মুমিনুল হক, নাঈম হাসান, আবু জায়েদ রাহি এবং এবাদত হোসেনকে। আর শুধুমাত্র ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের জন্য মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মুস্তাফিজুর রহমান, আফিফ হোসেন ধ্রুব এবং নাঈম শেখকে চুক্তির আওতায় এনেছে বিসিবি।

খালেদ আহমেদ, সাদমান ইসলামদের মতো শফিউল ইসলাম, আল আমিন হোসেন, সাইফ হাসান, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব ও মেহেদী হাসানরা সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সিরিজে ডাক পাচ্ছেন, যদিও কেন্দ্রীয় চুক্তির বেলায় অবহেলিত হতে হয়েছে তাদের।