কক্সবাজারে ছদ্মবেশে র‍্যাবের অভিযান, ৬ জলদস্যু আটক

Img

জলদস্যুদের ধরতে বঙ্গোপসাগরের কক্সবাজার উপকুলে ছদ্মবেশে অভিযানে নামে র‍্যাব। এসময় অস্ত্র ও গুলিসহ ৬ জলদস্যুকে আটক করেছে। তাদের কাছ থেকে তিনটি দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি বন্দুক ও ১১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে বঙ্গোপসাগরের সোনাদিয়া চ্যানেল থেকে এসব অস্ত্রসহ তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন, নেজাম উদ্দিন (২২), মো. সাকিল (২৪), মো. সাজ্জাদ (৩৫), মো. সুজন (২৪), মো. মানিক (৩২) ও ওমর ফারুক (২১)। এরা সকলেই মহেশখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

কক্সবাজার র‍্যাব-১৫ এর সিপিসি কমান্ডার মেজর শেখ ইউসূফ আহমেদ বলেন, গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে বঙ্গোপসাগরের মহেশখালীর সোনাদিয়া চ্যানেলে মাছ ধরার ট্রলারে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিলো একদল দস্যু। এরই প্রেক্ষিতে ছদ্মবেশে র‍্যাবের একটি দল সাগরে অভিযানে যায়। এ সময় একটি ট্রলার থেকে এসব অস্ত্র-গুলিসহ তাদের আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

- সূত্র: যমুনা টিভি।
পূর্ববর্তী সংবাদ

জেলখানায় বন্দি অবস্থায় কুরআনের হাফেজ হলেন ৬০৫ কয়েদি

অনন্য এক নজির স্থাপন করেছে দুবাই কর্তৃপক্ষ। সেখানকার একটি কারাগারে বন্দিদের মধ্য থেকে ৬০৫ জনকে কুরআনের হাফেজ বানিয়েছেন জেলখানা কর্তৃপক্ষ।

গত দুই বছরে ধর্মশিক্ষা প্রোগ্রামে অংশ নিয়ে পবিত্র কোরআন হাফেজ করেছেন এই বন্দিরা। খালিজ টাইমসের

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধর্মশিক্ষা প্রোগ্রামে পবিত্র কোরআন পড়তে ও শিখতে দুবাই পুলিশের শাস্তি ও সংশোধন প্রতিষ্ঠানের সাধারণ বিভাগ নানাভাবে উৎসাহ দিয়ে থাকে। এর অংশ হিসেবেই ৬০৫ বন্দি কোরআন হিফজ করার সুযোগ পায়।

দুবাইয়ে কারাবন্দিদের পুনর্বাসনে বিভিন্ন প্রোগ্রামের ব্যবস্থা করে থাকে আরব আমিরাত সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আওতায় ধর্ম, খেলাধুলা ও পেশাদার বিষয়ক বিভিন্ন প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এর আগেও ২০২১ সালে ২৭৫ জন এবং ২০২০ সালে ৩৩৩ জন এই প্রোগ্রামে অংশ নিয়ে উপকৃত হয়েছেন।

দুবাই পুলিশের শাস্তি ও সংশোধন প্রতিষ্ঠানের সাধারণ বিভাগের পরিচালক মেজর জেনারেল আলি আল শামালি বলেন, এসব প্রোগ্রামের মাধ্যমে বন্দিদের দক্ষতা ও সক্ষমতার বিকাশ, পুনর্বাসন এবং তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসকে শক্তিশালী করার প্রয়াস চালানো হয়।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার