এ বছরে সাড়ে ৭ লাখ কর্মী বিদেশে পাঠাবে সরকার: মন্ত্রী ইমরান আহমেদ

Img

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমেদ আশা প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ থেকে চলতি বছরে সাড়ে ৭ লাখের বেশি কর্মী বিদেশে পাঠাতে পারবে সরকার। তিনি বলেন, আমরা যে বিভিন্ন নতুন নতুন শ্রমবাজার খুলেছি। আরও পাইপ লাইনে আছে। এবছর আমি আশা করছি, ৬/৭ আরও নতুন দেশে কর্মী পাঠাতে পারবো।

রোববার (৫ জানুয়ারি) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘রিপোর্টার্স ফর বাংলাদেশি মাইগ্রেন্টস (আরবিএম) আয়োজিত নতুন বছরে সরকারের শ্রম বাজারের পরিকল্পনা’ নিয়ে মিট দ্য প্রেসে মন্ত্রী ইমরান আহমেদ এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমাদের বিদেশগামী কর্মীর সংখ্যা কমেছে এটা ঠিক। কিন্তু সারাবিশ্বের চাহিদারও পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে ইস্ট ইউরোপ থেকে চাহিদা আসছে। এজন্য কিছু দেশে ডিপ্লোমেটিক রিপ্রজেনটিভ দেওয়া চেষ্টা করছি। অনেক পদক্ষেপ নিয়েছি দক্ষ শ্রমিক করার।

মন্ত্রী ইমরান আহমেদ বলেন, আমাদের ৪৯২টি উপজেলার মধ্যে ১৬৪টিতে টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য ও নির্বাচনী ইসতেহারে ছিলো প্রতি উপজেলা থেকে একহাজার দক্ষকর্মী পাঠাবো। কিন্তু আমাদের সব উপজেলাতে এখনও টিটিসি স্থাপন করতে পারিনি। এজন্য আমরা বাকি সবকয়টি উপজেলার জন্য একটি প্রকল্প তৈরি করে জমা দেওয়া হবে টিটিসি নির্মাণের জন্য।

তিনি বলেন, আমরা যে প্রশিক্ষণ দেই সেটা আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণ না করলে ভালো ফল আসবে না। এজন্য আমরা আন্তর্জাতিক যেসব সার্টিফিকেট আছে সেগুলো নেওয়ার চেষ্টা করছি। পাশাপাশি আমাদের সার্টিফিকেটের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানো হচ্ছে।

নতুন বাজার নিয়ে তিনি বলেন, আমরা অনেকগুলো বাজার খুলেছি। আশা করছি লক্ষ্য অনুযায়ী আরও খুলতে পারবো। আমরা শুধুমাত্র আফ্রিকার দেশগুলোর চাহিদা পূরণ করতে পারলে আর কোনো দেশের তেমন প্রয়োজন হয় না।

মালয়েশিয়া বাজার নিয়ে তিনি বলেন, এই বাজারটি অনেকদিন ধরে খোলা হচ্ছে না। আমি চাই না আগের মতন পাঁচ থেকে ছয় লাখ টাকা খরচ করে সেখানে যাক। আর জঙ্গলে লুকিয়ে থাকুক। আমরা সে ধরনের কোনো চুক্তি করিনি। আমাদের লক্ষ্য হলো সরকার যে রেট নির্ধারণ করে দেবে তা দিয়েই যেতে হবে। এই সরকার আসার পর মালয়েশিয়ার বাজার নিয়ে যে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো কোনো ছোট অনিয়ম করলেও আমরা কাউকে ছাড় দিতে রাজি না। অন্যায়কে আমরা প্রশ্রয় দেবো না। সিন্ডিকেট আমাদের সমস্যা না। আমাদের লক্ষ্য স্বল্প খরচে এক লাখ ৬০ হাজার টাকায় মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো।

বিএমইটির মহাপরিচালক শামছুল আলমসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও রিপোর্টার্স ফর বাংলাদেশি মাইগ্রেন্টসের (আরবিএম) সভাপতি ফিরোজ মান্নান, সেক্রেটারি মাসউদুল হকসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার