এবাদত ঝড়ে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনে ধস

Img
ছবিঃ ক্রিকইনফো

এবাদত হোসেনের পেসে কেঁপে উঠলো কিউইদের পরিকল্পনা। দুই ওভারের মাঝে উইল ইয়াং, হেনরি নিকোলস ও টম ব্লানডেলকে ফিরিয়ে দিয়ে নিউজিল্যান্ডকে আবারও পেছনের পায়ে ঠেলে দিয়েছেন বাংলাদেশের এই পেসার।

টম ল্যাথাম ও ডেভন কনওয়েকে দ্রুতই সাজঘরে ফিরিয়ে দেয় বাংলাদেশ। তারপর রস টেলর ও ওপেনার উইল ইয়াংয়ের জুটিতে লিড নেয় কিউইরা। কিন্তু এবাদত বোলিংয়ে এসে একই ওভারে উইল ইয়াং ও হেনরি নিকোলসকে সরাসরি বোল্ড করলে কিউইদের ম্যাচ বাঁচানোর পরিকল্পনায় লাগে বিশাল ধাক্কা। এরপরের ওভারে টম ব্লানডেলকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন এবাদত।

ডানহাতি এই ফাস্ট বোলারের দারুণ পেসের সাথে উইকেট টেকিং লাইন-লেংথেই বিপদে পড়েছে কিউইরা। এবাদতের শিকার ৪ উইকেট।

এর আগে, ১৩০ রানে পিছিয়ে থেকে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেছে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। শেষ খবর পর্যন্ত তাদের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৪১ রান। শেষ আন্তর্জাতিক টেস্ট সিরিজ খেলা রস টেলর ব্যাট করছেন ৩৩ রান নিয়ে। কিউইদের লিড এখন মাত্র ১১ রানের। এর আগে ৪৫৮ রানে শেষ হয় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস।

পূর্ববর্তী সংবাদ

৪১ বছর পর ম্যান ইউর মাঠে জিতলো উলভস

ইউনাইটেডের জন্য নতুন বছরের শুরুটা হলো ভীষণ বাজে। সোমবার রাতে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচটি ১-০ গোলে জিতেছে উলভস। ১৯৮০ সালের পর প্রথমবার এই মাঠে লিগ ম্যাচে জিতল দলটি। আর ম্যানচেস্টারের দলটির কোচ হিসেবে প্রথম হারের স্বাদ পেলেন রাংনিক।

হাঁটুর চোট কাটিয়ে ৭০৭ দিনে প্রথমবারের মতো ইউনাইটেডের জার্সিতে মাঠে নামেন ডিফেন্ডার ফিল জোন্স। আর প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে দ্বিতীয়বারের মতো অধিনায়কের আর্মব্যান্ড পান ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ম্যানচেস্টারের ক্লাবটিতে নিজের প্রথম মেয়াদে এই মাঠেই ২০০৮ সালের মার্চে বোল্টনের বিপক্ষে ২-০ গোলে জেতা ম্যাচে প্রথমবার অধিনায়ক ছিলেন তিনি।

দ্বাদশ মিনিটে রাউল হিমেনেসের থ্রু বল ধরে ডি-বক্সে ঢুকে দানিয়েল পোদেন্সের শট ডান দিকে ঝাঁপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন ইউনাইটেডের স্প্যানিশ গোলরক্ষক ডেভিড ডি গিয়া। সেই কর্নার হেডে ঠিকমতো ক্লিয়ার করতে পারেনি স্বাগতিকরা। ডি-বক্সের বাইরে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে রুবেন নেভেসের হাফ ভলি ক্রসবারের ওপর দিয়ে পাঠান ম্যান ইউর গোলরক্ষক।

২০তম মিনিটে নেলসন সেমেডোর প্রচেষ্টাও রুখে দেন তিনি। ২৭তম মিনিটে ৩৫ গজ দূর থেকে শট নেন রোনালদো। কিন্তু শটে জোর ছিল না তেমন, সহজেই ঠেকান উলভারহ্যাম্পটনের কিপার।

৪২তম মিনিটে লুক শর পাসে বল পেয়ে ২৫ গজ দূর থেকে উড়িয়ে মেরে হতাশ করেন উরুগুয়ের স্ট্রাইকার এদিনসন কাভানি।

বিরতির পর ৬৭তম মিনিটে সবচেয়ে বড় সুযোগ পায় ইউনাইটেড। বাঁ দিকের বাইলাইনের কাছ থেকে নেমানিয়া মাতিচের পাসে বল পান অরক্ষিত ব্রুনো ফের্নান্দেস, ১২ গজ দূর থেকে পর্তুগিজ মিডফিল্ডারের শট লাগে ক্রসবারে। পরের মিনিটে সতীর্থের ফ্রি-কিকে হেডে রোনালদো জালে বল পাঠালেও অফসাইডের পতাকা তোলেন লাইন্সম্যান।

৭৫তম মিনিটে উলভারহ্যাম্পটনের রোমাইনের ফ্রি-কিকও ক্রসবারে লাগে। অবশেষে ৮২তম মিনিটে ‘ডেডলক’ ভাঙেন জোয়াও মৌতিনিয়ো। আদামা ত্রাওরের ক্রস হেডে ঠিকমতো ক্লিয়ার করতে পারেননি জোন্স। ডি-বক্সের বাইরে বল প্রথমে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে হাফ ভলিতে জালে পাঠান পর্তুগিজ মিডফিল্ডার।

যোগ করা সময়ে গোল প্রায় পেয়েই যাচ্ছিল ইউনাইটেড। ফের্নান্দেসের ফ্রি-কিক ডান দিকে ঝাঁপিয়ে ব্যর্থ করে দেন গোলরক্ষক। দারুণ জয়ের উল্লাসে মাতে সফরকারীরা।

১৯ ম্যাচে ষষ্ঠ হারের স্বাদ পাওয়া ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ৩১ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম স্থানে আছে। সমান ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে তাদের পরেই উলভারহ্যাম্পটন।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার