একটি শিশুকন্যার পিতৃত্বের দাবিদার নিয়ে হাজির তিন-তিন জন বাবা! এই বিচিত্র কাণ্ডে বেসামাল বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। শিশু কন্যার বাবা কে? পুলিশও এ নিয়ে অস্বস্তিতে। শিশু কন্যার মা অবশ্য নিরব!

ভারতের বাঘাযতীনের গাঙ্গুলীবাগানের বেসরকারি হাসপাতালে ধুন্ধুমার কাণ্ড। উত্তরপাড়ার স্বপ্না মৈত্রকে শনিবার ওই হাসপাতালে ভর্তি করান রবীন্দ্রপল্লীর বাসিন্দা দীপঙ্কর পাল। স্বপ্নার স্বামী হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেন দীপঙ্কর। রোববার স্বপ্নার এক কন্যা সন্তান হয়। এরপরই গোলমাল বাঁধে। হোয়াটসঅ্যাপে স্বপ্নার স্ট্যাটাস আপডেট দেখে হাসপাতালে হাজির হন নিউটাউনের বাসিন্দা হর্ষ ক্ষেত্রী। দাবি করেন মেয়ে ও স্ত্রী তার। অথৈ জলে পড়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

বাধ্য হয়ে নেতাজিনগর থানায় খবর দেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। নিউটাউনের বাসিন্দা হর্ষ অবশ্য ম্যারেজ সার্টিফিকেট সহ কয়েকটি নথি দেখান। রোবাবার দুই জন দাবিদার হতেই ঘরে কাউকেই ঢুকতে দেয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

নিরাপত্তা কর্মী বসিয়ে দেয়া হয়। যদিও হাতে প্রমাণ পেয়ে পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যখন একটু স্বস্তি বোধ করছেন তখনই কাহানি মে নয়া টুইট।

সদ্যোজাত শিশুকন্যা তার – এই দাবি নিয়ে হাসপাতালে হাজির হন প্রদীপ রায় নামে আরো এক ব্যক্তি। জটিলতা বাড়ায় আর কোনো ঝুঁকি নেয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

স্বপ্না বা তার মা এই নিয়ে অবশ্য কোনো মন্তব্য করতে চাননি। ওই নারীর কেবিনের বাইরে বসে যায় পুলিশ। কিন্তু মেয়ে আসলে কার? উত্তর হাতড়াচ্ছে পুলিশ।