একজন “তাসবীরুল হক অনু” হওয়ার ইতিহাস

Img

বাংলাদেশের রাজনীতির পরিস্থিতিতে চারপাশে যখন মৌসুমি রাজনীতিবিদ আর সুবিধাবাদীদের আনাগোনা তখন আলোচনায় একজন "তাসবীরুল হক অনু"। সেই স্কুল জীবন থেকে প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে উঠাবসা।

১৯৭৪ সালে পিতা শায়খুল হাদিস আল্লামা মরহুম মো: মোতাহার হোসেন এবং মাতা উম্মে কুলসুম গুলশান আরা বেগম এর কোলে জন্ম গ্রহণ করেন তাসবীরুল হক অনু। শৈশব থেকেই ধর্মীয় অনুশাসন ও রাজনৈতিক শিক্ষায় বড় হন। রায়ের বাজার উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি এবং নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে এইচ.এস.সি পাশ করে পরবর্তীতে স্নাতক সম্পন্ন করেন এবং আইন বিষয়ে এল.এল.বি সনদ গ্রহণ করেন।

ছাত্রবস্থায় দায়িত্ব পালন করেন ৪৮নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে। ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে রাখেন সাহসী ভূমিকা। সেই যে রাজপথে চলা শুরু, আজ পর্যন্ত রাজপথ ছাড়েননি। ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতির পর দায়িত্ব পালন করেন বৃহত্তর ধানমন্ডি থানা ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে।

পরবর্তীতে ঢাকা মহানগর উওর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সহ দীর্ঘদিন মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

বহু নির্যাতন সয়েছেন, জেল খেটেছেন কিন্তু কোনদিন রাজপথ ছেড়ে যাননি। সুদীর্ঘ রাজনৈতিক পথ চলায় বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার আদর্শে উদ্বুদ্ধ করেছেন লাখো নেতা-কর্মীকে। সব সময় নিজ কর্মীদের সহোদর ভাইয়ের মতো স্নেহ করেন। আদর্শ ও ভালো মানুষ হওয়ার পরামর্শ দেন। যখনই কোন নেতাকর্মী বিপদে পড়েছে, তখনই সবার আগে কাছে পেয়েছে "তাসবীরুল হক অনু" কে নেতাকর্মীরা।

১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারির প্রহসনের নির্বাচন বানচাল, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা, ২০০৪ সালের ৫ জানুয়ারী নির্বাচন পরবর্তী সময়ে জ্বালাও পোড়াও প্রতিরোধ, ৫ মে হেফাজতের তান্ডব, জাতীয় নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসকে বিজয়ী করা সহ সুদীর্ঘ ৩ দশক এমন কোন দলীয় কর্মসূচী নেই সেখানে অংশগ্রহণ করেননি তাসবীরুল হক অনু। 

আর এই দীর্ঘ পথ চলার ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মহানগর উত্তর যুবলীগের ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে তিনি আপোষহীন। আর এই দায়িত্ব পালনে চষে বেড়িয়েছেন ঢাকা শহরের প্রতিটি অলি-গলী, তুরাগ থেকে হাজারীবাগ।

যার ফলে তিনি চিনেন এবং জানেন কে দুর্দিন-দু:সময়ের কর্মী, আর কে অনুপ্রবেশকারী। তারই হাত ধরে ইতোমধ্যে ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগকে নেতৃত্ব দিয়েছেন আজিজুল হক রানা, সৈয়দ মিজানুর রহমান এবং বর্তমানে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বপালনরত সাইদুর রহমান হৃদয়।

তাসবীরুল হক অনু ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুইপুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক। অত্যন্ত মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন তাসবিরুল হক অনু এলাকায় মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসায় নিয়মিত আর্থিক সাহায্য করে থাকেন। যখনই কোন মানুষ শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যাপারে সহায়তা চাইলে কোনদিন খালিহাতে ফেরত দেননি।

উল্লেখ্য, তাসবীরুল হক অনু এর ভক্ত, অনুসারী ও কর্মীরা জানান, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা যোগ্য নেতৃত্ব খুঁজছেন। তাসবিরুল হক অনু হতে পারেন সেই কাঙ্ক্ষিত যোগ্য নেতৃত্বের একজন যিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে সোনার বাংলা নির্মিত হচ্ছে, সেখানে অনুর মত বিশ্বস্ত, অনুগত, পরিশ্রমী ও মেধাবী যুবক হতে পারেন সঠিক পছন্দ।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার