এই সংকটের মাঝে আরেক দুঃসংবাদ, সইতে পারবেন প্রবাসীরা?

Img

করোনা কিছুতেই বিদায় নিচ্ছে না। দিন যত যাচ্ছে তত বাড়ছে সংক্রমণ।

দেশ বিদেশ সবখানেই এখন এই ভাইরাস নিয়ে শঙ্কা। যার ঢেউ লেগেছিল শ্রম বাজারে। এখনো থেমে নেই সেই ঢেউ।

বিশেষ করে ইতালিতে আরও নাজুক অবস্থা। এ পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় প্রাণ হারিয়েছে ৩৬ হাজারের বেশি মানুষ।

করোনার প্রকোপ বাড়তে থাকায় বন্ধ রাখা হয়েছে অনেক মসজিদ। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাফেরা না করাকেই করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণ বলছেন অনেকেই। 

অবশ্য লকডাউন শিথিল করায় দেশটিতে কর্মব্যস্ততা ফিরে আসতে শুরু করেছে। তবে আবারও করোনা বাড়তে থাকায় কাজ হারানোর আশঙ্কা করছে প্রবাসীরা। 

ব্যবসা করতে না পেরে কর্মচারীদের বিদায় করছেন অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি। 

ইতালিতে লকডাউন শিথিল হওয়ায় ইউরোপের অন্য দেশগুলো থেকে মাত্রই আসতে শুরু করেছিলেন পর্যটকরা। 

তবে আবার করোনার প্রকোপ বাড়তে থাকায় পর্যটকদের সমাগম কমে গেছে, ধ্বস নেমেছে ট্যুরিজম ব্যবসায়, হোটেল রেস্টুরেন্টগুলো হয়ে পড়েছে শূন্য। 

প্রবাসী বাংলাদেশি মালিকানাধীন হোটেলগুলোতে গ্রাহক না আসায় গুনতে হচ্ছে লোকসান। কোটি টাকা খরচ করেও ব্যবসা করতে না পেরে বাধ্য হয়ে কর্মচারীদের বিদায় করছেন অনেকেই। 

প্রবাসী ব্যবসায়ীরা জানান, আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোতে অনেক দেশের মানুষ কাজ করে। করোনার কারণে ব্যবসা না থাকায় অনেক লোককেই ছাঁটাই করতে হয়েছে। কারণ আমাদের এসব প্রতিষ্ঠান চালাতে এবং কর্মচারীদের বেতন দিতে অনেক হিমশিম খেতে হচ্ছে।  

আবার, করোনায় চাকরি হারিয়েছেন অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি। নতুন করে হারানোর আশংকায় অনেকেই। 

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার