ইয়েমেনে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা: সৌদি-আমিরাত জোট

Img

ইয়েমেনে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে সৌদি-আমিরাত জোট বলছে স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা থেকে তা শুরু হবে। ইয়েমেন যুদ্ধে এপর্যন্ত নিহত হয়েছে ১ লাখ মানুষ। লাখ লাখ মানুষ দেশটিতে খাদ্যভাবে পড়েছে। সৌদি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল তুর্কি আল-মালিকি এ যুদ্ধ বিরতির ঘোষণা দেন যা দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি প্রচার করে। আল-জাজিরা

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইয়েমেনে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় জাতিসংঘ দেশটিতে যুদ্ধবিরতির আহবান জানিয়েছিল। সৌদি প্রেস এজেন্সি বলছে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের সাহায্য ও চিকিৎসা দেয়ার জন্যেই এই যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ইয়েমেনে সৌদি-আমিরাতি জোটের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত হুথি যোদ্ধারা যাতে আলোচনায় অংশ নেয়, যুদ্ধবিরতি সে সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে আশা করছে সৌদি আরব।
 
তবে হুথিদের পক্ষ থেকে আলোচনায় অংশ গ্রহণের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। হুথিদের মুখপাত্র মোহাম্মদ আব্দুলসালাম বলেছেন তাদের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা জাতিসংঘের কাছে পাঠানো হয়েছে। গত ৫ বছর ধরে চলা ইয়েমেনের ওপর চাপিয়ে দেয়া এ যুদ্ধ ও অবরোধের কারণে দেশটিতে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এডেন বন্দর সহ একাধিক বন্দরে সৌদি আরবের অবরোধ থাকায় খাদ্য ছাড়াও জরুরি ওষুধ সংকট চলছে।

এদিকে ইয়েমেনের সেনাবাহিনী এবং তার মিত্রদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের কয়েক ডজন সেনা নিহত হয়েছে। ইয়েমেনের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি এ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট আবদ মানসুর হাদির অনুগত সশস্ত্র ব্যক্তিরাও নিহত হয়। পারসটুডে

দক্ষিণাঞ্চলীয় ইয়েমেনের আবিয়ান প্রদেশের ঘাঁটির ওপর ওই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করা হয়। ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি বলেন, সৌদি জোট ও তাদের ভাড়াটিয়া বাহিনী আগ্রাসনের প্রস্তুতি নেয়ার সময়ে আশ শাজারি শিবিরের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলায় কাসেম ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, সঠিক লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট ভাবে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানায় সৌদি জোট বাহিনীর কয়েক ডজন সেনা হতাহত হয়। ইয়েমেনি বাহিনী শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে এবং সেখানেই থাকুক না কেনও সৌদি জোট ও তাদের ভাড়াটিয়া বাহিনীর ওপর হামলা চালানোর সক্ষমতা ইয়েমেনের আছে।

পূর্ববর্তী সংবাদ

কক্সবাজারে সাড়ে ৪০ হাজার পরিবার পেল অর্থ ও খাদ্য সহায়তা

করোনা পরিস্থিতিতে এ পর্যন্ত কক্সবাজার জেলায় নগদ অর্থ ও খাদ্য সহায়তা পেয়েছে ৪০ হাজার ৬শ’ পরিবার। জেলা প্রশাসনের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন স্বাক্ষরিত ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৮ এপ্রিল পর্যন্ত জেলায় ৪০ হাজার ৬০০ পরিবারকে নগদ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। তার মধ্যে ৩৪ হাজার পরিবারকে ৪৯০ মেঃ টন চাল এবং ৬ হাজার ৬০০ পরিবারকে ১৪ লক্ষ ৫৯ হাজার টাকা নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মতো অগ্রাধিকার তালিকা তৈরি করে চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, আপদকালীন জরুরি সহায়তায় জন্য আরো ৪২৫ মেঃ টন চাল, ২০ লক্ষ ৪৩ হাজার নগদ টাকা এবং শিশুখাদ্য সহায়তার জন্য ৩ লক্ষ নগদ টাকা কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট তহবিল ও গুদামে জমা রয়েছে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার