ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১৯, গাজায় বিমান হামলা জোরদার

বিষয়: করোনাভাইরাস
Img

দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গাজায় ফিলিস্তিনি নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১৯ জনে, যার মধ্যে অন্তত ২৮ জনই ফিলিস্তিনি শিশু। শুক্রবার ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই খবর জানিয়েছে।

এদিকে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী স্থল অভিযানের পাশাপাশি অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় বিমান হামলা জোরালো করেছে। ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলার মুখে নুয়ে না পড়ে পাল্টা প্রতিরোধ জারি রেখে রকেট ছুড়ে জবাব দেয়া অব্যাহত রেখেছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। 

বৃহস্পতিবার গাজার বাসিন্দারা ঈদুল ফিতর উদযাপন করলেও রক্ষা পায়নি ইসরায়েলি বিমান হামলা থেকে। ইসরায়েলের চালানো এই আগ্রাসনের প্রভাব নিজ দেশেও পড়তে শুরু করেছে। দেশটির বিভিন্ন শহরে আরব ও ইহুদি জনগোষ্ঠীর মধ্যে শুরু হয়েছে দাঙ্গা। দীর্ঘ দিন ধরে চলা ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাতের নতুন রুপ হিসেবে দেখা হচ্ছে ইসরায়েলের এই অভ্যন্তরীণ দাঙ্গা।

এদিকে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে দক্ষিণ লেবানন থেকে অন্তত তিনটি রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। এতে এই যুদ্ধ নতুন মোড় নিতে পারে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে এই অঞ্চলে নতুন দূত পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। যুদ্ধবিরতি নিয়ে মিশন, কাতার ও জাতিসংঘের সর্বশেষ উদ্যোগে উন্নতির কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

নতুন করে চালানো বিমান হামলায় গাজার ছয় তলা একটি ভবন গুড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েলি যুদ্ধ বিমান। ভবনটি গাজার শাসক দল হামাসের নিয়ন্ত্রণাধীন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, গাজার মোট এক হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।

ফিলিস্তিনি প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইসরায়েলি কামান ও ট্যাংক গোলাবর্ষণ শুরু করলে গাজার বহু বাসিন্দা বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত সোমবার থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি আগ্রাসনে ২৮ শিশু ও ১১ নারীসহ অন্তত ১১৯ জন নিহত হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও প্রায় ৬০০ জন। করোনা মহামারিতে এমনিতেই বিপর্যস্ত হয়ে পড়া হাসপাতালগুলোর ওপর নতুন করে চাপ বাড়াচ্ছে এসব হতাহত মানুষ।

- সূত্র: আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম
প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার