ইতিহাসের আজকের দিনটি (৩০ নভেম্বর)

Img

আজ ৩০ নভেম্বর ২০২০,সোমবার, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২। গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে, বছরের ৩৩৪ তম (অধিবর্ষে ৩৩৫ তম) দিন। বছর শেষ হতে আর বাকি মাত্র ৩১ দিন। একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলী

  • ১৭৩১ - বেইজিংয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়।
  • ১৭৭৬ - ক্যাপ্টেন কুক প্রশান্ত মহাসাগরে তৃতীয় ও শেষ অভিযান শুরু করেন।
  • ১৭৮২ - ইংল্যান্ড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা স্বীকার করে।
  • ১৮৩৮ - মেক্সিকো ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
  • ১৮৬৩ - উমাচরণ ভট্টাচার্য মুদ্রিত মাসিক পত্রিকা ‘সচিত্র ভারত সংবাদ’ প্রাকাশিত হয়।
  • ১৮৬৬ - শিকাগোতে প্রথম পানির নিচে হাইওয়ে টানেল তৈরির কাজ শুরু হয়।
  • ১৯৬২ - উথান্ট জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচিত হন।
  • ১৯৬৬ - বারবাডোজ স্বাধীনতা লাভ করে।
  • ১৯৭৩ - বঙ্গবন্ধু কর্তৃক বাংলাদেশে দালাল আইনে সাজাপ্রাপ্তও বিচারাধীন সকল রাজবন্দীর প্রতি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়।
  • ১৯৭৭ - আর্ন্তজাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল-IFAD প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • ১৯৭৭ - হাঁ-না ভোটে জিয়াউর রহমানের গণআস্থা লাভ করেন।

জন্ম

  • ১৪৮৫ - ইতালির মহিলা কবি ভোরোনিকা গামবারার জন্ম গ্রহণ করেন।
  • ১৫০৮ - আন্ড্রেয়া পালাডিও, তিনি ছিলেন ইতালীয় স্থপতি।
  • ১৫৫৪ - ফিলিপ সিডনি, তিনি ছিলেন ইংরেজ সৈনিক, সভাসদ ও কবি।
  • ১৬৬৭ - বিখ্যাত আইরিশ লেখক জোনাথন সুইফট আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিনে জন্মগ্রহণ করেন।
  • ১৭৫৬ - আর্নেস্ট চলাডনি, তিনি ছিলেন জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ও লেখক।
  • ১৮১৭ - টেওডোর মম্‌জেন, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান আইনজ্ঞ, ঐতিহাসিক ও পণ্ডিত।( মৃ.০১/১১/১৯০৩)
  • ১৮৩৫ - স্যামুয়েল ল্যাঙ্গহোর্ণ ক্লিমেন্স, একজন মার্কিন রম্য লেখক, সাহিত্যিক ও প্রভাষক। তিনি অবশ্য 'মার্ক টোয়েইন' নামে বেশি পরিচিত।
  • ১৮৫৮ - স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু,আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় বাঙালি পদার্থ ও জীব বিজ্ঞানী।(মৃ.২৩/১১/১৯৩৭)
  • ১৮৬৯ - নিল্স গুস্তাফ দালেন, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ পদার্থবিজ্ঞানী ও প্রকৌশলী।
  • ১৮৭৪ - উইন্‌স্টন চার্চিল, ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক।
  • ১৮৮৯ - এডগার ডগলাস আদ্রিয়ান, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ শারীরবিজ্ঞানী ও একাডেমিক।
  • ১৯০৩ - রাধারানী দেবী,বিশ শতকের বাঙালি মহিলা কবি। ( মৃ.০৯/০৯/১৯৮৯)
  • ১৯০৮ - বুদ্ধদেব বসু, বিশ শতকের বাঙালি কবি, সাহিত্যিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক।(মৃ.১৮/০৩/১৯৭৪)
  • ১৯১৫ - হেনরি টাউব, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী কানাডিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান রসায়নবিদ ও একাডেমিক।
  • ১৯২৮ - অমর গঙ্গোপাধ্যায়, বাংলা নাট্যমঞ্চের বিখ্যাত অভিনেতা।(মৃ.০৫/০৪/২০০০)
  • ১৯৩৭ - রিডলি স্কট, ব্রিটিশ চলচ্চিত্র পরিচালক এবং প্রযোজক।
  • ১৯৪৩ - টেরেন্স মালিক, তিনি আমেরিকান পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।
  • ১৯৪৪ - জর্জ গ্রাহাম, তিনি স্কটিশ ফুটবল খেলোয়াড় ও ম্যানেজার।
  • ১৯৬৫ - আল্ডাইর, তিনি সাবেক ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার।
  • ১৯৭৮ - গায়েল গার্সিয়া বেরনাল, তিনি মেক্সিক্যান অভিনেতা ও পরিচালক।
  • ১৯৮৪ - নিগেল ডি জং, তিনি ডাচ ফুটবল।
  • ১৯৮৮ - ফিলিপ হিউজ, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।
  • ১৯৯১ - মোহাম্মাদ নাসির হোসেন, তিনি বাংলাদেশী ক্রিকেটার।

মৃত্যু

  • ১০১৬ - এডমন্ড আয়রনসিডে, তিনি ছিলেন ইংরেজ রাজা।
  • ১৭১৮ - ফ্রান্সের রাজা দ্বাদশ চার্লস যুদ্ধে নিহত হন।
  • ১৭৫৯ - মোগল সম্রাট দ্বিতীয় আলমগীর নিজ মন্ত্রীর হাতে নিহত হন।
  • ১৯০০ - অস্কার ওয়াইল্ড, তিনি ছিলেন আইরিশ প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও কবি।
  • ১৯০৯ - রমেশচন্দ্র দত্ত,ভারতীয় বাঙালি ঔপন্যাসিক,ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। (জ.১৩/০৮/১৮৪৮)
  • ১৯৩৩ - কবি মোজাম্মেল হক।
  • ১৯৩৫ - ফার্নান্দো পেশোয়া, তিনি ছিলেন পর্তুগিজ কবি, দার্শনিক ও সমালোচক।
  • ১৯৩৮ - ইরানের সংগ্রামী ও স্বাধীনচেতা আলেম আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ হাসান মোদাররেস দেশটির তৎকালীন স্বৈরাচারি রাজা রেজা খানের অনুচরদের হাতে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর কাশমারে শাহাদত বরণ করেন।
  • ১৯৫৩ - ফ্রান্সিস পিকাবিয়া, তিনি ছিলেন ফরাসি চিত্রশিল্পী ও কবি।
  • ১৯৭৯ - যেপপো মার্কস, তিনি ছিলেন আমেরিকান অভিনেতা ও গায়ক।
  • ১৯৮৪ -
  • অভিনেত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী ইন্দুবালা দেবী।(জ.১১/১৮৯৯)
  • প্রখ্যাত সংগতিয়া (তবলা বাদক) রাধাকান্ত নন্দী। (জ.১৯২৮)
  • ১৯৮৮ - মিশরের প্রখ্যাত ক্বারী আবদুল বাসেত মোহাম্মাদ আবদুস সামাদ।
  • ১৯৮৯ - আহমাদউ আহিদজ, তিনি ছিলেন ক্যামেরুনের রাজনীতিবিদ ও ১ম রাষ্ট্রপতি।
  • ১৯৯৪ - গায় ডেবরড, তিনি ছিলেন ফরাসি তাত্ত্বিক ও লেখক।
  • ১৯৯৮ - আবদুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দিন, বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞান লেখক ও বিজ্ঞান কর্মী।
  • ২০০৯ - আবদুল জব্বার (সাহিত্যিক) বাঙালি সাহিত্যিক ।(জ.১৯৩৪)
  • ২০১২ - ইন্দ্র কুমার গুজরাল, তিনি ছিলেন ভারতীয় রাজনীতিবিদ ও ১২ তম প্রধানমন্ত্রী।
  • ২০১৪ - কাইয়ুম চৌধুরী, বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য চিত্রশিল্পী।
  • ২০১৭ - একজন বাংলাদেশী ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, টেলিভিশন উপস্থাপক এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হক।
পূর্ববর্তী সংবাদ

মোবাইলে ছবি তোলা বা ভিডিওচিত্র ধারণ কি হারাম?

প্রযুক্তির কল্যাণে মানুষের হাতে হাতে এখন মুঠোফোন। আবার প্রযুক্তির উৎকর্ষে মুঠোফোন এখন স্মার্টফোন, আর তাতেই খুব সহজে এখন যে কেউ ফোনের ক্যামেরা অন করে যখন তখন ছবি তোলা এবং ভিডিও ধারণ করতে পারে। তবে যারা মুসলমান এবং ইসলামের অনুশাসন গুলো মেনে চলেন তাদের মনে প্রশ্ন আসতেই পারে যে, মুঠোফোন বা মোবাইল দিয়ে ছবি তোলা বা ভিডিওচিত্র ধারণ কি ইসলামের দৃষ্টিতে হারাম কিনা?

আমরা মোটামুটি সকলেই জানি, মূর্তি বা প্রতিমা তৈরি করা, কোন জীবন্ত প্রাণীর ছবি তৈরি করা, আঁকা হারাম। তবে, জড়বস্তুর ছবি তোলা ও আঁকায় শরয়ী কোন বিধিনিষেধ নেই। কিন্তু প্রশ্ন এখানে কোন ইলেকট্রনিক্স মাধ্যম যেমন ডিজিটাল ক্যামেরা অথবা মোবাইল ব্যবহার করে কোন জীবন্ত প্রাণী অথবা মানুষের ছবি তোলা কি জায়েজ?

মোবাইল ক্যামেরা অথবা ডিজিটাল ক্যামেরা দিয়ে ছবি তোলা বা ভিডিও ধারণ জায়েজ কিনা এ নিয়ে নানারকম আলোচনা ও বিশ্লেষণ রয়েছে। অনেক আলেম ও ইসলামিক স্কলাররা এটিকে জায়েজ বলেছেন, আবার অনেকেই এটিকে হারাম ও বলেছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, প্রয়োজনের ক্ষেত্রে ছবি তোলা বৈধ, যেমন: আইডি কার্ড বা পাসপোর্টের জন্য ছবি তোলা ইত্যাদি।

মতামত (এক):

প্রয়োজন ছাড়া ক্যামেরা দিয়ে ছবি তোলা জায়েজ নয়। ক্যামেরা দিয়ে ছবি তোলা আর ছবি আঁকার বিধান একই। উভয়টিই সম্পূর্ণ হারাম। কেননা শরীয়তে যেই বিষয় মৌলিকভাবে জায়েজ নয় তা করার যন্ত্র পাল্টে গেলেও তার হুকুম পাল্টে না,  যেমন মদ খাওয়া হারাম। হাতে মদ বানালে যেই হুকুম, মেশিনে বানালেও একই হুকুম। যেমন মানুষ হত্যা করা হারাম, হাতে হত্যা করা যেমন হারাম কোন নব আবিস্কৃত যন্ত্রের মাধ্যমেও হত্যা করলেও একই বিধান প্রযোজ্য। তবে কম্পিউটার ও মোবাইল স্ক্রীনে থাকা প্রাণীর (অশ্লীল ও নারীর ছবি ছাড়া) ছবি প্রিন্ট করার আগ পর্যন্ত জায়েজ বলেছেন জামিয়া বিন্নুরিয়া পাকিস্তানের ফাতওয়া বিভাগ। 

মতামত (দুই):

শেইখ ইবনে উথাই’মিন বলেছেন, যেসব ছবি, যা কোন কিছুর সাহায্য ছারা দেখা যায় না, আমাকে বলা হয়েছে যেমন ভিডিও ক্যামেরার দৃশ্য। এরূপ ছবির ক্ষেত্রে কোন নীতিমালা নেই এবং এগুলি নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পরে না। যেসব আলেমরা প্রিন্ট করা ছবির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ করেছেন তারাই বলেছেন এরূপ অস্থায়ী ভিডিও ক্যামেরার ছবির ক্ষেত্রে কোন সমস্যা নেই।

মতামত (তিন):

শেইখ ডা: খা’লিদ আল-মুস’হাকি (র:)-কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: আমি মোবাইল দিয়ে স্মৃতির জন্য আমার বাচ্চার ছবি তুলি। কিন্তু আমি পড়েছি যে স্মৃতির জন্য ছবি তোলা শরীয়ত মতে হারাম। আমার এই ছবি তোলা কি শরীয়তে নিষিদ্ধ অথবা এটা কি ঠিক আছে মোবাইলে ফোনের ক্যামেরা দিয়ে ছবি তোলা। এর ক্ষেত্রে দলিল কি? আমি এও পড়েছি যে কম্পিউটার এবং মোবাইলের ছবিকে ‘ছবি’ বলা হয় না, কারণ তা রাখা হয় কম্পিউটার বা মোবাইলের মেমোরিতে এবং তা ছাপানো হয় না। আমি যদি কম্পিউটার বা মোবাইলে ছবি খুলি তাহলে তাতে ফেরেশতারা কি থাকবে না চলে যাবে? আমি আশা করছি আপনি আমাকে বিশ্লেষণ করে এ বিষয়ে বুঝাতে পারবেন কারণ এটি খুব বিভ্রান্তিকর বিষয়। আল্লাহ্‌ যেন আপনাকে ভাল প্রতিদান দেয়।

উত্তরে তিনি বলেন: ‘মোবাইল বা কম্পিউটার বা ভিডিও টপের ছবিগুলি, শরীয়তের ছবির নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পরে না কারণ এই ছবিগুলোর কোন আকার নেই এবং তা স্থায়ী নয় , যতক্ষণ না তা কাগজে ছাপা হয়। এ ভিত্তিতে মোবাইলে বা কম্পিউটারে স্মৃতির জন্য ছবি রাখাতে কোন সমস্যা নেই, যদি না তা দ্বারা কোন হারাম কাজ করা হয়। এবং আল্লাহ্‌ই ভাল জানেন’…

উপরোক্ত মতামত গুলো অনুসরণ করলে এরূপ সিদ্ধান্তে পৌঁছা যায় যে মোবাইল বা ডিজিটাল ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলে কোন সমস্যা নেই, যদি না তা ছাপানো হয়। তবে তা ঝুকিপূর্ণ ও তাকওয়ার খেলাপ। কিন্তু মেয়েদের ক্ষেত্রে এরূপ ছবি তোলা শরীয়ত সম্মত নয়, কারণ তা ফিতনার কারণ হবে এবং তা ছেলেদের মধ্যে খারাপ কামনা-বাসনা তৈরি করবে।

সুতরাং ফটোগ্রাফী ছবিকে মুতলাক জায়েজ বলা এই হিসেবে যে, তা মূলত ছবি না, বরং তা ছায়াকে আটকে ফেলা, এরূপ বলা উচিত নয়, বরং তার বৈধতা প্রয়োজন পর্যন্ত সীমিত থাকবে। (তাফসীরু আয়াতিল আহকাম-২/৩০০)

কম্পিউটার স্ক্রীনে বা মোবাইল স্ক্রীনে ছবি না রাখাটাও তাক্বওয়ার দাবী। সুতরাং ওলামায়ে কেরামসহ যারা সমাজের অনুস্বরণীয় ব্যক্তিত্ব তাদের জন্য অবশ্যই একাজটি বর্জনীয়। যেন সাধারণ মানুষরা ছবি তুলে প্রিন্ট করার মাধ্যমে সুস্পষ্ট হারাম কাজে লিপ্ত হতে উদভুদ্ধ না হয়। 

আমাদের জানা মতে প্রশ্নেল্লেখিত শব্দে কোনো সহিহ হাদিস নেই। তবে সহিহ হাদিসে এসেছে,

আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

كُلُّ مُصَوِّرٍ فِي النَّارِ يُجْعَلُ لَهُ بِكُلِّ صُورَةٍ صَوَّرَهَا نَفْسٌ فَيُعَذِِّبُهُ فِي جَهَنَّمَ

প্রত্যেক ছবি নির্মাতা জাহান্নামে যাবে, তার নির্মিত প্রতিটি ছবি পরিবর্তে একটি করে প্রাণ সৃষ্টি করা হবে, যা তাকে জাহান্নামে শাস্তি দিতে থাকবে। (বুখারী ২২২৫, ৫৯৬৩, মুসলিম ৫৬৬২)

অতএব, স্পষ্ট বিধানের ওপর আমল করাই আমাদের জন্য উত্তম। আল্লাহ ও তার রাসূল ﷺ-এর হুকুম অনুসরণ করার ক্ষেত্রে যত বেশি কঠোরতা অবলম্বন করা যায়, ততই তাকওয়ার জন্য অধিক সহায়ক। আপনি মোবাইলে ছবি (অবৈধ ও অশ্লীল কিংবা যাকে দেখা নাজায়েজ তেমন মানুষের ছবি ছাড়া) তুলে রাখলে, কাগজে প্রিন্ট না দিলে, আপলোডও না করলে আপনার সাধারণ ছবি তোলার সমান গুনাহ নাও হতে পারে। তবে এটাও যদি বর্জন করা যায় তাহলে এটা হবে আপনার তাকওয়ার আলামত।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার