আপনার কি অনিয়মিত পিরিয়ড হচ্ছে?

Img

নানা কারণেই নারীরা পিরিয়ড নিয়ে সমস্যার ভোগেন। জানা অজানা বিভিন্ন কারণেই আপনার এ সমস্যা হতে পারে। তবে এই মহামারী করোনাকালে অনেকেই অনিয়মিত পিরিয়ডে ভুগছেন। কারও সময় এগিয়ে যাচ্ছে, কারও পিছাচ্ছে। আবার কারও খুব কম হচ্ছে তো কারও হচ্ছে বেশি। দু-এক মাস পিছিয়ে গেলে বা না হলে, গর্ভসঞ্চার হল ভেবে বাড়ছে উদ্বেগ। এদিকে সংক্রমণের ভয়ে যেতে পারছেন না ডাক্তারের চেম্বারে। যার পরিণতি খিটখিটে মেজাজ, ধৈর্যহীনতা। 

স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই নিয়ে দুশ্চিন্তায় বাড়ছে কারণ, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এর মূলে আছে মানসিক চাপ। করোনার কারণে মানসিক চাপ বেড়েছে সবারই। তবে অনিয়মিত পিরিয়ড হলে ঘরোয়া উপায়ে সমস্যার সমাধান করতে পারেন।

জেনে রাখুন সেগুলো-

  • প্রথমেই মানসিক চাপ দূর করতে হবে। কারণ মানসিক চাপে এই সমস্যা অনেক সময় দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।
  • নিয়মিত ব্যায়াম করতে পারেন। হাঁটাহাঁটি করুন কিংবা ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজগুলো ঘরেই করতে পারেন। যোগাসন করতে পারেন। এতে খুব ভালো কাজ দেয়।  
  • কয়েক মাস কাঁচা পেপের রস খেতে পারেন। তবে পিরিয়ড চলাকালীন খাবেন না।  
  • কাঁচা হলুদ হরমোনের মাত্রা ঠিক রাখে, প্রদাহ কম রাখে, ব্যথাও কমায়। কাজেই সকালে হলুদ-দুধ বা গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে কাঁচা হলুদ বাটা খেতে পারেন ভাতের সঙ্গে। 
  • অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খালি পেটে খেতে পারেন। 
  • এক চামচ আদা বাটা জলে ফুটিয়ে খান দিনে তিন বার খাবার খাওয়ার পরে খেয়ে নিন। 
  • দুই চামচ জিরা সারা রাত ভিজিয়ে রেখে সকালে সেই পানিটুকু খান।
  • গরম দুধে এক চামচ দারচিনির গুঁড়া মিশিয়ে খেতে পারেন। 

সতর্কতা:
এগুলো শুধু মাত্র ঘরোয়া টোটকা। যেকোনো একটি বা দুটি একসঙ্গে করতে পারেন। তবে এরপরই সমস্যার সমাধান না হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

পূর্ববর্তী সংবাদ

ইতালিয়ান পুলিশের সঙ্গে বাংলাদেশি তরুণীর বিয়ে

দীর্ঘদিনের প্রেমের ইতি টেনে অবশেষে বাংলাদেশি তরুণীর সঙ্গে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হলেন ইতালির এক পুলিশ কর্মকর্তা। 

সোমবার দক্ষিণ ইতালির কাম্পানিয়া বিভাগের সালের্নো প্রভিন্সের মাইওরি পৌর এলাকায় তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সুমাইয়ারা ও দোমেনিকো তামবুররিনো। 

স্থানীয় গণমাধ্যম থেকে জানা গেছে, তুরিন সিটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে অধ্যয়নরত অবস্থায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ২৫ বছর বয়সী সুমাইয়ারার সঙ্গে প্রথম পরিচয় ঘটে দোমেনিকোর। ভালো লাগা থেকে তাদের ভালোবাসা হয়। অবশেষে বিয়ে।

বিয়ের অনুষ্ঠানে বর দোমেনিকো তার বিখ্যাত বাহিনীর গৌরবের ইউনিফর্ম পরিধান করেন আর লাল রঙের শাড়িতে বাজিমাত করেন বাংলাদেশি বধূ সুমাইয়ারা।

ইতালীয় বিভিন্ন নিউজ পোর্টাল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসায় পঞ্চমুখ এই নবদম্পতি। ইতালীয়-বাংলাদেশি ভিন্ন দুই সংস্কৃতির মেরুতে অবস্থান করেও প্রেমের টানে আপন করে নিলেন দুজনকে।

বর ইতালীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্যারামিলিটারি পুলিশ ফোর্স ক্যারাবিনিয়ারির মার্শাল হিসেবে উত্তর-পশ্চিম ইতালির পিয়েমন্তে বিভাগের তুরিন প্রভিন্সে কর্মরত।

স্থানীয়রা বলছেন, এই প্রথম কোনো বাংলাদেশি নারী ইতালীয় পুলিশকে বিয়ে করে একটি বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

এদিকে মহামারি করোনার কারণে ফ্লাইট নিষেধাজ্ঞা থাকায় কনের পরিবারের কেউই বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে আসতে পারেননি। তবে এই পরিবারের দেশের বাড়ি কোথায় তা জানা যায়নি।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার