আজ ৯ ডিসেম্বর কপিলমুনি মুক্তদিবস

Img

১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর মুক্ত হয় কপিলমুনি।

মহান মুক্তিযুদ্ধে কপিলমুনির ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। খুলনার দক্ষিণাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী কপিলমুনি ছিল রাজাকারদের দুর্গ এবং শক্তিশালী ঘাঁটির অন্যতম। এ ঘাঁটির মাধ্যমে কপিলমুনি, তালা, ডুমুরিয়াসহ খুলনা ও সাতক্ষীরার বিশাল অংশ রাজাকাররা অবরুদ্ধ করে রেখেছিল।

খুলনার ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্যিক নগরীর (বিনোদগঞ্জ) প্রতিষ্ঠাতা রায় সাহেব বিনোদ বিহারীর বাড়িটি ছিল রাজাকারদের ঘাঁটি। সাড়ে তিনশ’র বেশি রাজাকার ও মিলিশিয়ার সশস্ত্র অবস্থান ছিল এখানে। সুবিশাল দোতলা ভবন, চারদিকে উঁচু প্রাচীর বেষ্টিত ও অনেকটা মোগল আমলের দুর্গের মতো। সুরক্ষিত দুর্গে বসে চলতো তাদের যুদ্ধের কার্যক্রম। দুর্গ অভ্যান্তরে চলত নানা অত্যাচার, নির্যাতন, ধর্ষন।

১৯৭১ সালের দীর্ঘ ৪৮ ঘণ্টার সম্মুখযুদ্ধের পর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে পতন ঘটেছিল দক্ষিণ খুলনার সবচেয়ে বড় এ রাজাকার ঘাঁটিটির। পরে অত্নসমর্পণ করা মিলিশিয়াদের নেয়া হয় সহচরী বিদ্যামন্দির প্রাঙ্গনের সুবিশাল মাঠে। সেখানে জনতার রায়ে ১৫১ রাজাকারের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়। যুদ্ধকালীন জনতার রায়ে এত সংখ্যক রাজাকারদের একসঙ্গে মৃত্যুদন্ড কার্যকরের ঘটনা সম্ভবত আর নেই।

পূর্ববর্তী সংবাদ

কেনো চায়না ফোনের দাম এত কম?

চীনের পণ্যের মান ভালো নয়, এমন ধারণা কম-বেশি সবার মধ্যেই আছে। কিন্তু মান ভালো না হওয়ার পরও বাজারে চীনা পণ্যই বেশি দেখা যায়। যেসব কারণে চীনা পণ্য বিভিন্ন দেশের বাজার সয়লাব হয়ে গেছে সেটির মূলে রয়েছে প্রযুক্তি কপি করতে তাদের ক্লান্তিহীন প্রচেষ্টা।

তারা বাজারের সবচেয়ে আধুনিক বা সর্বশেষ প্রযুক্তির হার্ডওয়্যার যুক্ত করে না। ফোনের পারফমেন্স ও দামের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার্থেই বেশি মনোযোগ দেয় তারা। অনেক চীনা ফোনেই মিডিয়াটেকের প্রসেসর থাকে। মিডিয়াটেক চীনা কোম্পানি হওয়ায় স্থানীয় ফোন নির্মাতা কোম্পানিগুলো তাদের কাছ থেকে কম দামে প্রসেসর কিনতে পারে।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চীনা ব্র্যান্ডের ফোনগুলোতে ডিডিআর৪ র‍্যামের বদলে ব্যবহার করা হয় ডিডিআর ৩ র‍্যাম।

এছাড়াও ফোনে ব্যবহার করা হয় কমদামি জাপানিজ বা কোরিয়ান ডিসপ্লে। অ্যামোলেড বা আইপিএস প্যানেলের তুলনায় এই ডিসপ্লেগুলোর মান খারাপ হয়।

চায়না কোম্পানিগুলো তাদের ফোনের বিজ্ঞাপন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করে। ফলে তাদের বিজ্ঞাপণে তেমন কোনো খরচ পড়েনা। নামিদামি ব্র্যান্ড যেমন স্যামসাং, সনি বা অ্যাপল টিভি কমার্শিয়াল, স্পন্সরশিপ ও তারকাদের মুখপাত্র বানিয়ে প্রচারণা চালাতে কোটি কোটি টাকা খরচ করেন।

বড় ব্র্যান্ডগুলো রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগে প্রচুর খরচ করে। অনেক চীনা ফোন কোম্পানিরই রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগই নেই।

এতে বাড়তি অর্থ ব্যয় হয় না চীনা কোম্পানিগুলোর। এ ছাড়া, চীনের শ্রম অনেক দেশের তুলনায় সস্তা।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার