হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে আজ। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যার পর নিজ নিজ আবাস এবং মসজিদুল হারাম থেকে ইহরাম বেধে মক্কা থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে মিনার উদ্দেশে যাত্রা করবেন হাজিরা। এরপরেই শুরু হবে মুসলমানের অন্যতম ফরজ ইবাদাত হজ। দীর্ঘ যানজট এড়াতে অনেকে হেঁটে যাবেন মিনায়। হজ পালনকারীদের জন্য মিনায় অবস্থান করা সুন্নত।

আজ শুক্রবার (৯ আগস্ট) সারাদিন মিনায় অবস্থান করে সেদিন রাতে ও ভোরে আরাফাতের ময়দানের দিকে যাত্রা করবেন।

শনিবার (১০ আগস্ট) আরাফাতের ময়দানে অবস্থিত মসজিদে নামিরা থেকে হজের খুৎবা দেয়া হবে। সেদিন তারা মাগরিব ও এশার নামাজ আদার করবেন। মুজদালিফায় খোলা আকাশের নিচে সারারাত অবস্থানের পর শয়তানের স্তম্ভে পাথর নিক্ষেপের করতে মিনায় যাবেন তারা। এরপর পশু কুরবানি দেবেন তারা।

এরপর ১০, ১১ ও ১২ জিলহজ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিদায়ী তাওয়াফের মাধ্যমে সমাপ্ত হবে হজের আনুষ্ঠানিকতা।

ইসলামের বিধান অনুযায়ী, ১০ জিলহজ মিনায় প্রত্যাবর্তনের পর হাজিদের পর্যায়ক্রমে চারটি কাজ সম্পন্ন করতে হয়। শয়তানের স্তম্ভে পাথর নিক্ষেপ, আল্লাহর উদ্দেশে পশু কোরবানি (অনেকেই মিনায় না পারলে মক্কায় ফিরে গিয়ে পশু কোরবানি দেন), মাথা ন্যাড়া করা এবং তাওয়াফে জিয়ারত। এরপর ১১ ও ১২ জিলহজ অবস্থান করে প্রতিদিন তিনটি শয়তানকে প্রতীকী পাথর নিক্ষেপ করবেন হাজিরা। সবশেষে কাবা শরিফকে বিদায়ী তাওয়াফের মধ্য দিয়ে শেষ হবে হজের আনুষ্ঠানিকতা।