আখাউড়া দিয়ে ভারত থেকে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ২৪ বাংলাদেশি

Img

ভারতে বিভিন্ন স্থানে আটকা পড়া ২৪ জন বাংলাদেশি শনিবার ১৩ জুন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে দেশে ফিরেছেন। তাদের সবাইকে জেলার বিজয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশের সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. মোরশেদুল হক।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে লকডাউন চলায় ভারতের বিভিন্ন স্থানে ওই বাংলাদেশিরা আটকা পড়েছিলেন। পরবর্তীতে তারা আগরতলায় এসে আবারও আটকা পড়েন। 

ওপারে কর্মরত কয়েকজন বিএসএফ সদস্যসহ অন্যান্যরা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় ৭ জুন পর্যন্ত যাত্রী আসাও বন্ধ রাখা হয়।শনিবার সকাল থেকে আবার যাত্রী আসতে দেয়ায় দুপুর নাগাদ ২৪ জন বাংলাদেশি নিজ দেশে ফিরলেন। 

পূর্ববর্তী সংবাদ

রাজশাহীতে ওসির নির্দেশে সম্পাদকের বিরুদ্ধে জিডি, আইজিপির কাছে অভিযোগ

রাজশাহীর স্থানীয় দৈনিক গণধ্বণি প্রতিদিন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ইয়াকুব শিকদারের নামে পুলিশের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার ঘটনায় পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গত ৩ জুন ডাকযোগে এ লিখিত অভিযোগ দেন পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক ইয়াকুব শিকদার।

দৈনিক গণধ্বণি প্রতিদিন সম্পাদক ইয়াকুব শিকদারের অভিযোগ, তার সাথে মহানগরীর রাজপাড়া থানার কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম অসৌজন্যমূলক ও অপেশাদার আচরণ করেছেন। কিন্তু প্রতিকার না করেই ওই দিনই তাকে দিয়ে উল্টো সাধারণ ডায়েরি করিয়েছেন রাজপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহাদাত হোসেন খাঁন।

এই ঘটনায় গত ৯ মে তিনি আরএমপি’র পুলিশ কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। কিন্তু অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি আরএমপি। উল্টো এখনো বহাল তবিয়তে আছেন অভিযুক্তরা। তাই তিনি বাধ্য হয়ে আইজিপির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। 

ভুক্তভোগী এ সম্পাদক ইয়াকুব শিকদার জানান, ব্যক্তিগত প্রয়োজনে গত ৭ মে বেলা ২টার দিকে তিনি থানায় সেকেন্ড অফিসার মোস্তাক আহম্মেদের কাছে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে থানার দায়িত্বরত সেন্ট্রি শহিদুল ইসলাম তার সাথে প্রকাশ্যে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন। পরে সেকেন্ড অফিসারের কাছে ফিরে গিয়ে তিনি বিষয়টি জানান। তখনই সেকেন্ড অফিসার এসে কনস্টেবলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

কর্তব্যরত অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিতে ঘটনার দায় স্বীকার করেন কনস্টেবল শহিদুল। প্রতিকার পেতে সেখানে দাঁড়িয়েই বিষয়টি তিনি মোবাইলে আরএমপি’র মুখপাত্রকে মৌখিকভাবে জানান। কিন্তু বিষয়টি পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে জানাজানি হয়ায় ক্ষুদ্ধ হন থানার ওসি। পরে বিষয়টির সমাধান না করেই পাঠিয়ে দেন তাকে। এর ঘণ্টাখানিক পর তার বিরুদ্ধে থানায় জিডি নেয় পুলিশ।

অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) সোহেল রানা বলেন, আবেদন করে থাকলে অবশ্যই এটি পৌঁছেছে। যথা নিয়মেই এর উপর ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে এগুলো একটু সময়সাপেক্ষ। আবেদন করলেই সাথে সাথে ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ নেই। আইনী প্রক্রিয়া মেনেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার