আইসিসির নজরদারিতে ৩ বাংলাদেশি

Img

এবার আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত টি-টেন লিগ চলে এসেছে আইসিসির আতশ কাঁচের নিচে। এই লিগকে ঘিরে জমজমাট জুয়ার ব্যবসা হয়েছে বলে জানতে পেরেছে আইসিসির দুর্নীতি দমন কমিশন আকসু। শুধু তাই নয়, আইসিসির নজরদারিতে রয়েছেন বাংলাদেশের তিনজন ক্রিকেটারও।

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক সমকাল আজ এ নিয়ে বিস্তারিত একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে।

সেই রিপোর্টটিতে বলা হয়েছে, ‘টি-টেন লিগের খেলা শুরুর আগেই ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমিরাতের ক্রিকেটার সানডে সিংকে বায়োসিকিউর বাবল থেকে বের করে দেয় আইসিসির দুর্নীতি দমন বিভাগের (এসিইউ) কর্মকর্তারা।’

কেন? কারণ জানা গেছে লিগের খেলা শেষে। ‘মোট পাঁচজন ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে নতুন করে তদন্ত (ফিক্সিংয়ের) করছে আকসু। যেখানে তিনজন বাংলাদেশি ক্রিকেটারের নামও শোনা যাচ্ছে।’

সেই তিন ক্রিকেটার কে কে? দুবাই থেকে টি-টেন লিগের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘পুনে ডেভিলসে খেলা মনির হোসেনের সঙ্গে টুর্নামেন্ট চলাকালেই কথা বলেছেন আকসু কর্মকর্তারা। মারাঠা অ্যারাবিয়ান্সে খেলা সোহাগ গাজী ও মুক্তার আলীর ওপরও আকসু নজর রেখেছে।’

যদিও সোহাগ গাজীর দাবি, আকসুর কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে তার কথা হয়নি। আর এ বিষয়ে জানতে ফোন করা হয় মুক্তার আলীকে। তবে তার ফোন বন্ধ পাওয়ায় যায়, ফলে মুক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।

২০২১ আবুধাবি টি-টেন ক্রিকেট লিগে খেলেছেন বাংলাদেশের সাতজন ক্রিকেটার। প্লেয়ার্স ড্রাফট থেকে আফিফ হোসেন ও শেখ মেহেদীকে দলে নিয়েছিল বেঙ্গল টাইগার্স। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শেষ করেই আবুধাবি গিয়েছিলেন তারা। আফিফ পাঁচটি ম্যাচ খেললেও শেখ মেহেদী ছিলেন রিজার্ভ বেঞ্চে।

নাসির হোসেন ও মনির হোসেন ছিলেন পুনে ডেভিলসে। মনিরকে প্লেয়ার্স ড্রাফটের বাইরে থেকে দলে নেয় পুনে। নাসিরের নেতৃত্বে খেলা মনিরকে আকসু জিজ্ঞাসাবাদ করে হোটেলেই।

বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে জানতে চাইলে মনির বলেন, ‘শেষ ম্যাচে ফিল্ডিং করতে গেলে হাতে ব্যথা পেয়েছিলাম। ব্যথা নিয়েই কেন বোলিং করেছি, সেটা জানতে চেয়েছিলেন আকসু কর্মকর্তারা। আমাকে জানানো হয়েছে, যোগাযোগ করা হলে যেন সহযোগিতা করি।’

তবে টি-টেনে খেলা জাতীয় দলের সাবেক এক ক্রিকেটার জানান, ‘মনিরকে একটি ডেলিভারি নিয়ে প্রশ্ন শুরু করেছিল। এ ছাড়া তার মোবাইলও পরীক্ষা করা হয়েছিল। জানতে চাওয়া হয়েছে তার এজেন্টের নামও।’

মারাঠা এরাবিয়ান্সে খেলেছেন মুক্তার আলী, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও সোহাগ গাজী। তাদের মধ্যে গাজী প্লেয়ার্স ড্রাফটে ছিলেন না। এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করে সরাসরি দলে নিয়েছে জাতীয় দলের সাবেক এ স্পিনারকে। লিগে সপ্তম হওয়া মারাঠা অ্যারাবিয়ান্সের বোলিং নিয়ে সন্দেহ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আবুধাবির টি-টেনের ওই কর্মকর্তা।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার