অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা দূর করার প্রাকৃতিক উপায়

Img

মহিলাদের ক্ষেত্রে অনিয়মিত পিরিয়ড বা ঋতুর সমস্যা অত্যন্ত আম বাত। অধিকাংশরও বেশি মহিলাদের মধ্যে এই সমস্যা দেখা যায়। এর নানা কারণ হতে পারে। হঠাৎ করে ওজন কমে যাওয়া চিকিৎসাজনিত কোনও সমস্যা বা জীবনযাপন পদ্ধতি। এই সবের কারণেই অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যা হতে পারে। এই সমস্যার জেরে একাধিক অন্যান্য মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেমন- দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ, উত্তেজনা প্রভৃতি। যার ফলে গুরুতর মানসিক রোগের সমস্যা তৈরি হতে পারে। আর সেই কারণেই অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা দূর করা প্রয়োজন।

এই ধরণের সমস্যা দূর করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভাল উপায় হল প্রাকৃতিক উপাদানের উপর ভরসা রাখা। তাহলে আসুন দেখে নেওয়া যাক প্রাকৃতিক উপায়ে কীভাবে অনিয়মিত মাসিকের সমস্য়া থেকে মুক্তি মিলবে

পার্সলে 
পার্সলে প্রাচীন কাল থেকে মাসিক সংক্রান্ত যে কোনও সমস্যায় ব্যবহার করা হয়। ৬ গ্রাম পার্সলে পাতা ১৫০ মিলিলিটার সিদ্ধ করে নিয়ে তা দিনের যেকোনও সময়ে বা ভাগে ভাগে খেতে পারেন। রোজ এই পদ্ধতি মেনে চলুন।

জিরা
জিরা পার্সলে বংশেরই একটি উপাদান। তাই এর কাজও অনেকটা একই রকমের।

জোয়ান 
জোয়ানের রস এবং গুড় একসঙ্গে খেলে মাসিং সংক্রান্ত সমস্যা এমনকী ঋতুজরার সময়ের ব্যথা, জ্বালা যন্ত্রণা সব সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়। ১ চামচ জোয়ানের রস এবং ১ চামচ গুড় ১ গ্লাস জলে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেয়ে নিন।

পাকা পেঁপে 
অনিয়মিত মাসিকের ক্ষেত্রে সবচেয়ে উপযোগী বল পাকা পেঁপে। ছোট ছোট টুকরো করে কেটে বা পেঁপের রস করে যদি দিনে দুবার খাওয়া যেতে পারে তাহলে সুফল মিলবে।

আদা 
আদা চাও এই ক্ষেত্রে অত্যন্ত উপযোগী। কিন্তু আদার ক্ষেত্রে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়। যেমন গ্যাস, অম্বল ইত্যাদি। এক্ষেত্রে আপনি আদা-চায়ের সঙ্গে পার্সলেও ব্যবহার করতে পারেন।

গোটা ধনে 
অনিয়মিত মাসিকের সমস্যার ক্ষেত্রে গোটা ধনেও অত্যন্ত উপকারি। দু কাপ জলে ১ চা চামচ গোটা ধনে দিয়ে ফুটিয়ে নিন, যতক্ষণ না জলের মাত্রা কমে ১ কাপ হচ্ছে। ছেঁকে নিয়ে এই জল দিনে ৩ বার খান। আপনার মাসিকের নির্ধারিত দিনের ৫-৬ দিন আগে থেকে টানা খেলেই হবে।

মৌরি 
গোটা ধনের মতো করে মৌরিরও জল তৈরি করুন। এই জল প্রত্যেক দিন সকালে খান। উপকার পাবেন।

- সূত্র: বোল্ডস্কাই
প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার