প্রচ্ছদ | প্রবাস | মালয়েশিয়া | মালয়েশিয়ায় শ্রমিক বৈধ করন প্রক্রিয়ার শেষ সময়ে নিবিড় পর্যবেক্ষনে ইমিগ্রেশন ও বাংলাদেশ দূতাবাস

মালয়েশিয়ায় শ্রমিক বৈধ করন প্রক্রিয়ার শেষ সময়ে নিবিড় পর্যবেক্ষনে ইমিগ্রেশন ও বাংলাদেশ দূতাবাস

image

আহমাদুল কবির :

মালয়েশিয়ায় শ্রমিক বৈধ করন প্রক্রিয়া নিবিড় পর্যবেক্ষণ করছে দেশটির ইমিগ্রেশন ও বাংলাদেশ দূতাবাস। মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে  মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের ১৬ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে  জরুরি বৈঠকে এমনটি আলোচনা হয়। তবে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের বড় কর্মকর্তারা এই প্রথম বাংলাদেশ দূতাবাসে এসে জরুরি বৈঠক করলেন বলে দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে।

বুধবার মালয়েশিয়া সময় সকাল ১০ টায় দূতাবাসের কন্ফারেন্স রুমে শ্রম কাউন্সেলরের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত জরুরি বৈঠকে নেতৃত্ব দেন, মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের ফরেন এফেয়ার্স ডিভিশনের প্রধান দাতু খাইরিল, ডাইরেক্টর ডিটেনশন সালেহা, ডাইরেক্টর ইনফোর্সমেন্ট সারভানান। দূতাবাসের কমার্শিয়াল উইং প্রধান ধনঞ্জয় কুমার দাস, শ্রম শাখার প্রথম সচিব মো: হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডল, শ্রম শাখার ২য় সচিব মো: ফরিদ আহমদ ও ২য সচিব (রাজনৈতিক) তাহমিনা ইয়াছমিন। এ ছাড়া মাইজি, বক্তিমেঘা ও ইমান কোম্পানির প্রতিনিধিরাও উক্ত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ৩০ নভেম্বর পুত্রাযায়া ইমিগ্রেশন বিভাগের হলরোমে দূতাবাসের শ্রম কাউন্সেলরের নেতৃত্বে ইমিগ্রেশনের বড় কর্তাদের সঙ্গে এমনটি আলোচনা হয়।

২০১৬ সালের ৩০ জুন থেকে শুরু হওয়া রি-হিয়ারিংয়ের আওতায় তিনটি ক্রাইটেরিয়ার মাধ্যমে বিদেশি শ্রমিকদের বৈধ করন প্রক্রিয়া। আর এ প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে চলতি মাসের শেষের দিকে। দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগের কড়া নজর দারিতে শেষ সময়ে মাইইজি , বক্তিমেঘা ও ইমান কোম্পানীর এ তিনটি ভেন্ডরে নিবন্ধনের কাজ নিবিড় পর্যবেক্ষণ করছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ ও বাংলাদেশ দূতাবাস।

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক শেষে শ্রম কাউন্সেলর সায়েদুল ইসলাম দেশটিতে কর্মরত ইলেক্ট্রনিক, প্রিন্ট ও অনলাইন সাংবাদিকদের বলেন, মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি অবৈধ কর্মি  যারা এখনো নিবন্ধিত হয়নি তাদেরকে  ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নিবন্ধিত হওয়ার পরামর্শ বার বার তাগিদ দিয়ে আসছে বাংলাদেশ দূতাবাস।

সায়েদুল ইসলাম বলেন, মাইইজি, বক্তিমেঘা ও ইমানে যারা নিজ নিজ কোম্পানির মাধ্যমে রেজিষ্ট্রেশনের পর ইমিগ্রেশনে অাঙ্গুলের ছাপসহ নিবন্ধিত হবেন তারাই এদেশে বৈধ হিসেবে গণ্য হবেন।

যারা বিভিন্ন কোম্পানির মাধ্যমে মাইইজি, বক্তিমেঘা ও ইমানে নিবন্ধন করে দীর্ঘদিন পরও মালিক পক্ষ অভিবাসন বিভাগে নিবন্ধন করছেন না বা মালিকের আর খোঁজ-খবর নেই, তারা মাইইজি, বক্তিমেঘা ও ইমানের অফিসে সরাসরি যোগাযোগ করলে অন্য কোনো কোম্পানির মাধ্যমে নিবন্ধিত হওয়ার সুযোগ পাবেন। এ জন্য শ্রমিককে অতিরিক্ত ফি দিতে হবে না। ইতিমধ্যে মাইইজি কোম্পানি দূতাবাসের পার্শে একটি বুথ স্থাপন করেছে কর্মিদের সুবিধার্থে । যে কোন তথ্য তাদের বুথ থেকে জানা যাবে। এ ছাড়া মাইইজি চলতি মাসের প্রথম থেকে হট লাইন চালু করেছে। ০৩৭৬৬৪৮৫৫৫ এ হটলাইনে কর্মিরা তাদের অবস্থান জানতে পারবেন।  এর পাশাপাশি এ তিনটি ভেন্ডরের কার্যক্রম প্রতি দিন পর্যবেক্ষন করবে। এ ছাড়া যদি কেউ মিডিলমেনদের দ্বারা প্রতারিত হন সে বিষয়টিও দূতাবাসে জানাতে হবে। 

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শ্রম কাউন্সেলর বলেন, দূতাবাস প্রতিদিন প্রায় দু’থেকে আড়াই হাজার লোককে সেবা দিয়ে আসছে। শুধু তাই নয় বন্ধের দিনে প্রতি শনি ও রবিবার  প্রত্যেকটি প্রদেশে কন্স্যুলার সেবা দেয়া হচ্ছে ।  দূতাবাসে গত ৫ মাসে ১ লাখ ৯০ হাজার ৯শ ২৩ জন কর্মি পাসপোর্টের আবেদন করেন। এর মধ্যে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৩০২ জন কর্মির হাতে নতুন পাসপোর্ট দেয়া হয়েছে।

রি-হিয়ারিং-এর আওতায় যারা সকল প্রক্রিয়া শেষ করেও পাসপোর্ট হাতে পাননি এমনটি হলে দ্রুত শ্রম শাখায় জানাতে বলেছেন শ্রম কাউন্সেলর।

শেয়ার করুন: Facebook Twitter Google LinkedIn Pinterest Print Email

মন্তব্য ফিড সাবস্ক্রাইব করুন মন্তব্যসমূহ (0 মন্তব্য প্রকাশ হয়েছে):

মোট: | প্রদর্শন:

মন্তব্য প্রকাশ করুন comment

  • Bold
  • Italic
  • Underline
  • Quote
  • email Email to a friend
  • print প্রিন্ট সংস্করণ
  • Plain text সরল পাঠ্য
এই নিবন্ধটি জন্য কোন ট্যাগ নেই
এই সংবাদটি মূল্যায়ন করুন
5.00