সর্বশেষ সংবাদ

  1. ময়মিনসিংহ জাতীয়তাবাদী ফোরাম কর্তৃক জিয়াউর রহমান এর ৮২তম জন্মদিন পালন।
  2. গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য অনুকরণীয় হতে পারে মালয়েশিয়া
  3. মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ট্রাভেল পাস ইস্যুতে কড়াকড়ি! সক্রিয় দালালরা
  4. মালয়েশিয়ায় ওয়েসিস কলেজের সমাবর্তন অনুষ্ঠিত
  5. মালয়েশিয়া পেরাক রাজ্যের কান্তানে জিয়াউর রহমানের জন্ম বার্ষিকী পালিত
  6. মা-বাবা হারা এই শিশুদের পাশে থাকবে প্রবাসীরা
  7. চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সম্মেলন সম্পন্ন
  8. রাজশাহীর মদীনাতুল উলুম মাদরাসা ছাত্রাবাসকে তিনতলায় উন্নীতকরণ
  9. দাগনভূইয়ায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাংগঠনিক সম্পাদককে হত্যা
  10. মালয়েশিয়ায় এশিয়ান টিভির বর্ষপূর্তি পালন
১০ বছরে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৪ গুণ

১০ বছরে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৪ গুণ

প্রবাসীর দিগন্ত ডেস্ক

বিগত ১০ বছরে দেশে সাড়ে ৪ গুণ রেমিট্যান্স বেড়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশীরা ২০০৮ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে ৯ হাজার ৭শ’ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছে। যা ছিল এর পূর্ববর্তী ১০ বছরের তুলনায় প্রায় ৭ হাজার ৭শ’ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বেশি। অভিবাসী বাংলাদেশিরা ১৯৯৮ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত সময়ে প্রায় ২ হাজার বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান বলেন, সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন পদক্ষেপের সুবাদে বিগত কয়েক বছরে রেমিটেন্সের প্রবাহ বেড়েছে। এছাড়া সরকারের দক্ষ জনশক্তি বিদেশে প্রেরণের পদক্ষেপের ফলে প্রবাসী বাংলাদেশির সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। তিনি বলেন, দেশে টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া আগের চেয়ে সহজ হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া এখন মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস সুবিধার মাধ্যমে সহজে দেশে টাকা পাঠানো যায়।

ডেপুটি গভর্নর আরও বলেন, ডলারের বিপরীতে মুদ্রার হার ও তেলের দাম হ্রাস এবং বিধিবহির্ভূত প্রক্রিয়ায় দেশে টাকা পাঠানোর প্রবণতার কারণে গত বছরের প্রথম কয়েক মাসে রেমিট্যান্স কমে যায়। বাংলাদেশ ব্যাংক এই রেমিট্যান্স বৈধ প্রক্রিয়ায় পাঠানোর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পর প্রবাসীরা বৈধ পথেই টাকা পাঠাতে অধিক স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছে।

রাজী হাসান বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অবৈধ পন্থায় রেমিট্যান্স প্রেরণ বন্ধের পদক্ষেপের অংশ হিসেবে কিছু মোবাইল ব্যাংকিং অপারেটর নজরদারির মধ্যে রয়েছে। এতে কিছু মোবাইল একাউন্ট চিহ্নিত হয়েছে। যা অবৈধ প্রক্রিয়ায় রেমিটেন্স প্রেরণে ব্যবহৃত হতো।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, চলতি ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে প্রবাসীরা ৫৬২ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে। এছাড়া ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে ১০১০ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলার, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১১৬৮ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ১১৮৯ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ১১০৫ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন, ২০১২-১৩ অর্থবছরে ১১৫৬ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন, ২০১১-১২অর্থবছরে ১০১৮ দশমিক ৮২ বিলিয়ন, ২০১০-১১ অর্থবছরে ৮২৯ দশমিক ৯১ বিলিয়ন, ২০০৯-১০অর্থবছরে ৭৬০ দশমিক ১১ বিলিয়ন এবং ২০০৮-২০০৯ অর্থবছরে ৬৬৬ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স এসেছে।

প্রবাসীরা ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ৫৪২ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন, ২০০৬-২০০৭অর্থবছরে ৪১৩ দশমিক ০১ বিলিয়ন, ২০০৫-০৬অর্থবছরে ৩২২ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন, ২০০৪-০৫ অর্থবছরে ২৩৬ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন, ২০০৩-০৪ অর্থবছরে ১৯৮ দশমিক ৭০ বিলিয়ন, ২০০২-০৩ অর্থবছরে ১৭৭ দশমিক ২৯ বিলিয়ন, ২০০১-০২ অর্থবছরে ১৪৩ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন, ২০০০-০১অর্থবছরে ১০১ দশমিক ৭০ বিলিয়ন, ১৯৯৯-২০০০অর্থবছরে ৯৮ দশমিক ০৭ বিলিয়ন, ১৯৯৮-৯৯অর্থবছরে ৮১ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন এবং ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে ৬৯ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছে।